করোনা কালীন শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য

ডা. মশিউর রহমান

» এইচ এম মাহমুদ হাসান | | সর্বশেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২০ - ১২:৫০:৪২ অপরাহ্ন

করোনা কালীন সময়ে বাচ্চাদের উদ্বেগ বাড়ছে, বিরক্ত হচ্ছে, ভীতি, মানসিক চাপ, আতংক বাড়ছে।সারা বিশ্বে মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে কোভিড- ১৯,বাংলাদেশ ও এর থেকে মুক্ত নয়।
এই সংকটময় সময় বাচ্চাদের ইতিবাচক,সহনশীল ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে পিতা মাতাকে এগিয়ে আসতে হবে।
সন্তানকে ছোট বেলার গল্প শোনান।বাচ্চাদের চিন্তার সাথে নিজের চিন্তা মিলাতে হবে।
ভুলত্রুটি ধরবেন না,বাচ্চাদের প্রশংসা করতে হবে।কোন শাস্তি দেয়া যাবে না বা বাচ্চারা মনখারাপ করতে পারে সেই রকম কোন কাজ করা যাবেনা।
সন্তানের প্রতি স্নেহময়ী হন এবং কথা ও কাজে সেটা বুঝিয়ে দিন। প্রতেকটা কাজে ইতিবাচক সাড়া দিন, ধমক দেবেন না।
দৈনিক কাজের রুটিন তৈরি করুন বাচ্চাদের নিয়ে আলোচনা করে যেন সেটা পছন্দ করে। রুটিনে থাকবে পড়াশুনা, খেলাধুলা,বিশ্রাম ও আনুসাঙ্গিক বিষয়,তাহলে শিশুরা নিরাপদ বোধ করবে। অনলাইনে এ ক্লাস হচ্ছে, পরীক্ষা হচ্ছে বাচ্চাদের উৎসাহিত করুন।
একটানা ভাবে কোন কাজ করাবেন না বাচ্চাদের।
খুব সহজ ও পরিস্কার ভাষায় বাচ্চাদের সাথে কথা বলুন এবং সেটা যেন পরিবারের অন্য সদস্যরাও পালন করে।সন্তানের সাথে চিৎকার করে কথা বলবেন না,শান্ত ভাবে বুঝিয়ে দিন।
সন্তানরা ভালো কাজ করলে প্রশংসা করুন এবং উপহার দিন এতে তার মনোবল বেড়ে যাবে।
এসময় স্কুল কলেজ বন্ধ,বাচ্চারা বিরক্ত হচ্ছে, বন্ধুদের সাথে অনলাইনে যোগাযোগ করতে উৎসাহিত করুন।
শিশুদের সঙ্গে নিয়ে ঘুমাবেন এতে সন্তান ও মা বাবা সবার ভালো লাগবে।
সম্ভব হলে একসঙ্গে খেলুন গান গান ও শুনুন।
বাচ্চাদের সংগে পড়াতে বসার সময় আপনিও পড়তে বসুন বাচ্চারা সাহস পাবে।
শিশু মন খারাপ করলে বুঝার চেষ্টা করুন, জড়িয়ে ধরুন এবং কোলে নিন।
একসঙ্গে খেতে বসুন বাচ্চাদের উৎসাহিত করুন যা রান্না করেছেন তা সবকিছু যেন কিছু কিছু খায়।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ইধষধহপব ফরবঃ জরুরি। শিশু খাদ্য নিয়ে আমার লেখা পোস্ট গুলো র সাহায্য নিতে পারেন।
করোনা কালীন বাড়িতে লোকজন আসা বন্ধ করুন। হাত ধোঁয়া, মাস্ক পড়া,শারীরিক দুরত্ব বুঝিয়ে দিন এবং নিজে করে দেখান। নাক,মুখ চোখ স্পর্শ এড়ানোর ব্যাপারে সন্তান কে উৎসাহিত করুন।প্রয়োজনে সহজ ভাষায় করোনা সম্পর্কে আলোচনা করুন,ভয় পেতে পারে এমন কথা বলবেন না।
প্রতিটি সন্তানকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
বায়াম করুন একসঙ্গে এবং সহায়তা করুন।
ধর্মীয় আচরণ শেখার এখন উপযুক্ত সময়। এখন অনেক আতœীয় স্বজন পাড়াপ্রতিবেশি পরিচিত জন মারা যাচ্ছে, বাচ্চারা যেন ভয় না পায় সেটা খেয়াল রাখতে হবে।
বাচ্চারা যেন আনন্দময় সময় কাটাতে পারে সেই রকম একটা পরিবেশ বাসা বাড়িতে তৈরি করতে হবে।একটু বড়দের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা দিতে হবে। পোস্ট টি শেয়ার করুন, মা বাবা ও অভিভাবক রাও যেন উপকৃত হয়। বর্তমান সময়ের অত্যান্ত জরুরি পোস্ট।
টিন তৈরি করুন বাচ্চাদের নিয়ে আলোচনা করে যেন সেটা পছন্দ করে। রুটিনে থাকবে পড়াশুনা, খেলাধুলা,বিশ্রাম ও আনুসাঙ্গিক বিষয়,তাহলে শিশুরা নিরাপদ বোধ করবে। অনলাইনে এ ক্লাস হচ্ছে, পরীক্ষা হচ্ছে বাচ্চাদের উৎসাহিত করুন। একটানা ভাবে কোন কাজ করাবেন না বাচ্চাদের।
খুব সহজ ও পরিস্কার ভাষায় বাচ্চাদের সাথে কথা বলুন এবং সেটা যেন পরিবারের অন্য সদস্যরাও পালন করে।সন্তানের সাথে চিৎকার করে কথা বলবেন না,শান্ত ভাবে বুঝিয়ে দিন।
সন্তানরা ভালো কাজ করলে প্রশংসা করুন এবং উপহার দিন এতে তার মনোবল বেড়ে যাবে।
এসময় স্কুল কলেজ বন্ধ,বাচ্চারা বিরক্ত হচ্ছে, বন্ধুদের সাথে ঙহষরহব যোগাযোগ করতে উৎসাহিত করুন।
শিশুদের সঙ্গে নিয়ে ঘুমাবেন এতে সন্তান ও মা বাবা সবার ভালো লাগবে।
সম্ভব হলে একসঙ্গে খেলুন গান গান ও শুনুন।
বাচ্চাদের সংগে পড়াতে বসার সময় আপনিও পড়তে বসুন বাচ্চারা সাহস পাবে।
শিশু মন খারাপ করলে বুঝার চেষ্টা করুন, জড়িয়ে ধরুন এবং কোলে নিন।
একসঙ্গে খেতে বসুন বাচ্চাদের উৎসাহিত করুন যা রান্না করেছেন তা সবকিছু যেন কিছু কিছু খায়।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ইধষধহপব ফরবঃ জরুরি। শিশু খাদ্য নিয়ে আমার লেখা পোস্ট গুলো র সাহায্য নিতে পারেন।
করোনা কালীন বাড়িতে লোকজন আসা বন্ধ করুন। হাত ধোঁয়া, মাস্ক পড়া,শারীরিক দুরত্ব বুঝিয়ে দিন এবং নিজে করে দেখান। নাক,মুখ চোখ স্পর্শ এড়ানোর ব্যাপারে সন্তান কে উৎসাহিত করুন।প্রয়োজনে সহজ ভাষায় করোনা সম্পর্কে আলোচনা করুন,ভয় পেতে পারে এমন কথা বলবেন না।
প্রতিটি সন্তানকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
বায়াম করুন একসঙ্গে এবং সহায়তা করুন।
ধর্মীয় আচরণ শেখার এখন উপযুক্ত সময়। এখন অনেক আতœীয় স্বজন পাড়াপ্রতিবেশি পরিচিত জন মারা যাচ্ছে, বাচ্চারা যেন ভয় না পায় সেটা খেয়াল রাখতে হবে।
বাচ্চারা যেন আনন্দময় সময় কাটাতে পারে সেই রকম একটা পরিবেশ বাসা বাড়িতে তৈরি করতে হবে।একটু বড়দের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা দিতে হবে। পোস্ট টি শেয়ার করুন, মা বাবা ও অভিভাবক রাও যেন উপকৃত হয়। বর্তমান সময়ের অত্যান্ত জরুরি পোস্ট।
লেখক : ডা. মশিউর রহমান, শিশু বিশেষজ্ঞ, এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, দিনাজপুর।