ওয়ার্ড কাউন্সিলর নাঈমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন


» কামরুল হাসান রনি | ডেস্ক ইনচার্জ | | সর্বশেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২০ - ০৯:৪১:২৭ অপরাহ্ন

জমি জবর দখল ও হত্যার হুমকীর বিরুদ্ধে ইসমাইল হোসেন (৪০) নামের এক ভুক্তভোগী রবিবার সকালে রাজধানীর উত্তরা প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী ইসমাইল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের ৪৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছা সেবকলীগ এর সাধারন সম্পাদক আনিছুর রহমান নাঈম ও তার ভাই নাজমুলসহ তাদের নিজেস্ব বাহিনী দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।

তথ্য মতে জানা যায়, জমির কাগজ-পত্র অনুযায়ী বর্তমান মালিক ইসমাইল হোসেন দিলরুবা বেগমের নিকট থেকে ২.৫ কাঠা জায়গা কিনে দখল বুঝে নেন। তার দুই পাশে অন্য দুইজন জায়গা ক্রয় করেন। সেই জায়গা বিক্রয় করতে দালাল হিসেবে নিয়োজিত হন কাউন্সিলর নাঈমের ভাই নাজমূল। জমির মালিক ইসমাইলের দাবী জায়গার পজিশন সুবিধামত করতে এবং দাম বেশী পেতে আমার সাথে ঝামেলা করিতেছে। তারা মাঝ খান থেকে আমার দখল সরিয়ে অন্য স্থানে জায়গা বুঝে নিতে চাপ দেয়। সেই দখল প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে জোর করে আমার কাছ থেকে একটি দখল পরিবর্তন চুক্তিতে স্বাক্ষর নিতে চেষ্টা করেন। সেই চুক্তি গ্রহন না করে নিজের জায়গার চারপাশের সীমানা নিশ্চিত করতে সার্ভেয়ার নিয়ে জায়গা মেপে বুঝে নিতে গেলে, নাঈমের ইশারায় নাজমূল, বাবু, হুমায়ূন, কৌশিক আহম্মদ, আঃ বাতেন, শাজাহান ও জহুরুল গং আমাকে মেরে ফেলতে ধাওয়া করে। ধাওয়া খেয়ে আমি থানা পুলিশের কাছে আশ্রয় নেই। পুলিশ একটি সমঝোতা করে দেয়। সেই সমোঝতার আলোকে নিজের জায়গায় দেওয়াল এবং সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেই। কিছুক্ষণ পর সেই সাইনবোর্ড কিংবা দেওয়াল কোনটারই অস্থিত্ব রাখেনি এই সন্ত্রাস বাহিনী। যত্রতত্র ইট পরে থাকতে দেখা যায়। এর পর থেকেই চলতে থাকে হত্যা ও গুমের হুমকী ধমকী। নিরুপায় হয়ে আবার থানা পুলিশের স্মরনাপন্ন হলে থানা পুলিশ সময় লাগবে বলে কালক্ষেপন করেন।

অন্যদিকে এই সুযোগে নাঈম গং জায়গায় নতুন দেওয়াল তুলতে কাজ শুরু করে দেয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে আমি ইসমাইল হোসেন এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করি।

ইসমাইল হোসেন আরো উল্লেখ করেন নাঈম ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় অস্ত্র সহ গ্রেফতার হয়। অন্যের জায়গা জবর দখল করে ফুলের বাগান করতে গিয়ে চ্যানেল এবং সংবাদপত্রের সংবাদ শিরনাম হন।

তার বিরুদ্ধে অতীতেও সন্ত্রাস এবং চাদাবাজীর অভিযোগ রয়েছে। ইসমাইল হোসেন তার জানমালের, নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।