মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান
উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার


ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে চলছে কৃষি শুমারির কার্যক্রম

ডিএনসিসি ৫০ নং ওয়ার্ড




স্টাফ রিপোর্টার: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগাধীন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে সারাদেশে শহর ও পল্লী এলাকায় ‘কৃষি শুমারি ২০১৮’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কৃষি শুমারি চলছে। দেশব্যাপী বৃহৎ আকারে পরিচালিত অন্যতম এই পরিসংখ্যানিক কার্যক্রম সফল করতে সারাদেশের বিভিন্ন স্থানের মতো ডিএনসিসির ওয়ার্ডগুলোতেও চলছে খানাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের কাজ। পর্যাপ্ত জনবলকে নিয়মানুযায়ী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লাগানো হয়েছে তথ্য সংগ্রহের এই কাজে। ডিএনসিসি’র আওতাভূক্ত বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গিয়েছে উক্ত শুমারিতে নিয়োজিত কর্মীদের তথ্যসংগ্রহের কার্যক্রম। এক্ষেত্রে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন কর্মীরা।

এ বিষয়ে কথা হয় কৃষি শুমারি জোন-১ এর জোনাল অফিসার মোঃ নজরুল ইসলামের সাথে। এসময় তিনি তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত জনবলের কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে উত্তরা নিউজে বলেন, তথ্য দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। সে লক্ষে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের নিমিত্তে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং এ কাজটিকে সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা প্রত্যেকটি মৌজাকে কয়েকটি গণনা এলাকায় ভাগ করেছি। মৌজা গঠনের ক্ষেত্রে জেএস ম্যাপকে স্ক্যাচ করে গণনা এলাকা তৈরি করা হয়েছে। গণনা এলাকাগুলোর উত্তর-পশ্চিম কর্ণার থেকে গণনাকারীরা তথ্য সংগ্রহ করবে এবং অত্র এলাকায় এই কাজে সর্বমোট ৫০ জন কর্মীকে ৯ জন সুপারভাইজার দ্বারা মনিটারিং করা হচ্ছে। এভাবে কর্মীগণ প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করবে। তিনি আরও বলেন, ৫০ নং ওয়ার্ডে এসে আমরা অত্র ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ডি এম শামীম সাহেবের আন্তরিকপূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছি। তিনি আমাদেরকে প্রথম থেকেই তথ্য সংগ্রহে পর্যাপ্ত জনবলের সংস্থান করে দিয়েছেন এবং তার এলাকার তথ্য সংগ্রহের ব্যাপারে এলাকার মসজিদগুলোতে মাইকিং করে জানিয়ে দিয়েছেন। এতে করে আমাদের কর্মীরা নির্বিঘ্নে উক্ত কৃষি শুমারিটির তথ্য সংগ্রহ করতে পারছেন।”

এদিকে, কৃষি শুমারিটিকে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন ডিএনসিসি ৫০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ডি এম শামীম। সারাদেশের পাশাপাশি নিজ ওয়ার্ডে চলমান উক্ত কৃষি শুমারির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। ১১ জুন সকালে কৃষি শুমারিতে নিয়োজিত কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় শেষে কাউন্সিলর ডি এম শামীম উত্তরা নিউজকে জানান, সরকার দেশে কৃষি খাতের উন্নয়নে যে ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে তা অত্যন্ত যুগোপযোগী এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ কাজকে সফল করতে ডিএনসিসি ৫০ নং ওয়ার্ডে শুমারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন, তার সবটুকুই আমি দিয়ে যাব। এসময় তিনি ৫০ নং ওয়ার্ডে বসবাসরত সকল বাসিন্দাদের কৃষি শুমারি কর্মীদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।

উল্লেখ্য যে, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগাধীন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সারাদেশের শহর ও পল্লী এলাকায় ‘কৃষি শুমারি ২০১৮’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত কৃষি শুমারিটি গত ৯ জুন,২০১৯ থেকে শুরু হয়ে ২০ জুন পর্যন্ত চলবে।