ওয়ার্ডকে ঘিরে কাউন্সিলর ডি.এম শামীমের উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা

ডিএনসিসি- ৫০

» মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান | উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার | সর্বশেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২০ - ০৭:৪৯:২৪ অপরাহ্ন

রাজধানীর দক্ষিণখানের একাংশ নিয়ে গঠিত ডিএনসিসি ৫০ নং ওয়ার্ড। ওয়ার্ডটিতে সকল ধরনের নাগরিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতে রাস্তা ও ডেন নির্মাণ, স্যুয়ারেজ লাইন নির্মাণ ও সংস্কার, কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, আঞ্চলিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, অসহায় ও দুঃস্থ পুর্নবাসন কেন্দ্র, কাঁচা বাজার স্থাপন, শিশু পার্ক, খেলার মাঠ, ডাম্পিং স্টেশন, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণসহ জনবান্ধন মোট ৬৫টি পরিকল্পনার প্রস্তাবিত তালিকা ওয়ার্ডবাসীর সামনে তুলে ধরা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ওয়ার্ডের ১৫০জন বিশিষ্ট নাগরিক ও গণমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে এক মতবিনিময় সভায় নিজ কার্যালয়ে উক্ত পরিকল্পনা উত্থাপন করেন ডিএনসিসি ৫০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আলহাজ্ব ডি.এম শামীম। মতবিনিময় সভাটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, অঞ্চল-১ এর নব নিযুক্ত আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোতাকাব্বির আহমেদ।

এ সময় ডিএম শামীম নিজ ওয়ার্ডের উন্নয়নকল্পে ও নানামুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। টেকসই উন্নয়নের ভিত্তিতে ওয়ার্ডকে ঢেলে সাজানোর উপর গুরুত্বরোপ করে ডিএম শামীম বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম যাতে অত্যাধুনিক সব নাগরিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারে সেলক্ষ্যে আমি কাজ করে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর ওয়ার্ডে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করেছি। একই সাথে মাদকের বিরুদ্ধে আমি সর্বদাই জিরো টলারেন্স নীতিতে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব। এছাড়াও আমার নির্বাচনী ইশতেহারে আপনাদেরকে যেসকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সেগুলো বাস্তবায়নে আমি বদ্ধ পরিকর।’ এ সময় তিনি উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘নতুনভাবে ডিএনসিসিতে যে ১৮টি ওয়ার্ড অন্তর্ভূক্ত হয়েছে এই ওয়ার্ডগুলোর মধ্যে ৫০নং ওয়ার্ডই হবে সর্বশ্রেষ্ঠ ওয়ার্ড।’ যা তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন।

ডিএনসিসি ৫০নং ওয়ার্ডে বসবাসরত প্রায় পাঁচ লক্ষ মানুষের নিত্য চলাচলে সড়কে যে দুর্ভোগ রয়েছে, সেটি লাঘব করতে ওয়ার্ডের ৯৭টি সড়ক সংস্কার ও নির্মাণের প্রস্তাবনা পেশ করেন ডিএম শামীম। পাশাপাশি ওয়ার্ডে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকল্পে যেসব স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর পরিমাণে জায়গা দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়নে আমাদের পর্যাপ্ত পরিসরে জায়গা দরকার। আর তাই কোথায় খালি জায়গা রয়েছে অথবা এসব স্থাপনা নির্মাণে যারা জায়গা দিতে আগ্রহী তারা আমার সাথে যোগাযোগ করবেন, যা অধিগ্রহণের ভিত্তিতে নেয়া হবে।’ এছাড়াও ওয়ার্ডের কোন কোন জায়গাগুলো দিয়ে নতুন করে সড়ক নির্মাণ প্রয়োজন? এ বিষয়ে উপস্থিত গণমান্য ব্যক্তিবর্গগণের মতামত লিপিবদ্ধ করেন।

এর আগে উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধাসহ ওয়ার্ডে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উপস্থিত বিশিষ্টজনদের মতামত শোনেন সভার সভাপতি কাউন্সিলর ডিএম শামীম। নাগরিকদের বক্তব্যে, ওয়ার্ড কাউন্সিলররের নেয়া নানামুখী উদ্যোগ বেশ প্রশংসিত হয় এবং ভবিষ্যতে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাউন্সিলর ডিএম শামীমের পাশে রয়েছেন বলে জানান তারা।