এতগুলো রানআউট! ২৪৪ রানেই শেষ ভারত


» এইচ এম মাহমুদ হাসান | | সর্বশেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২১ - ০১:০৩:৪৯ অপরাহ্ন

টি-টোয়েন্টি কিংবা ওয়ানডে হলে কথা ছিল। ম্যাচটির দৈর্ঘ্য ৫দিনের। যেখানেই ধৈর্যই শেষ কথা, সেখানে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের তাড়াহুড়ো দেখলে যে কারও বিস্মিত হওয়ার কথা। বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যান হলেন রানআউট।

যে কারণে সিডনি টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার করা ৩৩৮ রানের জবাব দিতে নেমে ২৪৪ রানেই অলআউট হয়ে গেলো ভারতীয় দল। অসি বোলারদের কষ্টই করতে হয়নি বলতে গেলে। কারণ তিনজন ব্যাটসম্যান হলেন রানআউট।

মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হনুমা বিহারী, যাকে মনে করা হয় ভারতের টেস্ট ক্রিকেটে আগামীর অন্যতম বড় তারকা, তিনি তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে হলেন রানআউট। শেষ দিকে অনেক টেস্টেই রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুর্দান্ত ব্যাট করে থাকেন। বড় ইনিংস খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তিনিও হলেন রানআউট। একেবারে শেষ দিকে জসপ্রিত বুমরাহও হলেন দুর্ভাগ্যের শিকার। হলেন রানআউট।

তিনটি রানআউটই মূলতঃ দ্রুত শেষ করে দিল ভারতীয় ইনিংসকে। না হয়, লিড না হোক অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের কাছাকাছি যেতে পারতো ভারতের স্কোর। কিন্তু তা না হয়, উল্টো প্রথম ইনিংসে ৯৪ রানের লিড নিয়ে নিলো স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।

৩৩৮ রানের জবাবে রোহিত শর্মা আর শুভমান গিলের সমন্বয়ে সূচনাটা ভালোই ছিল। দলীয় ৭০ রানের মাথায় প্রথম উইকেট দিয়ে ফেরেন রোহিত শর্মা। শুভমান গিল করেন ৫০ রান। টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ বিকেলে এই দুই উইকেট হারিয়েছিল ভারত।

আজ তৃতীয় দিন শুরু করে ২ উইকেটে ৯৬ রান দিয়ে। ৯ রানে থাকা চেতেশ্বর পুজারা হাফ সেঞ্চুরি করেন। তার আগেই অবশ্য ২২ রান করে ফিরে যান অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানে। হনুমা বিহারি মাঠে নেমে থিতু হওয়ার আগেই রানআউটের খাঁড়ায় আটকা পড়েন।

১৭৬ বল খেলে ৫০ রান করে আউট হয়ে যান চেতেশ্বর পুজারা। রিশাভ পান্ত ব্যাটিং দিয়ে বাজি উইকেটকিপিংয়ের কষ্ট ভুলিয়ে দিতে চেয়েছেন। যে কারণে ৬৭ বলে তার ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসে ৩৬ রানের ইনিংস। কিন্তু হ্যাজলউডের বলে ধৈর্যহারা হয়ে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান পান্ত।

২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১০ রান করে রানআউট হন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। নবদিপ সাইনি করেন ৪ রান। বুমরাহ রানআউট হন শূন্য রানে। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে মোহাম্মদ সিরাজ আউট হন ৬ রান করে।

অসি বোলারদের মধ্যে প্যাট কামিন্স আগুন ঝরান ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের ওপর। ২১.৪ ওভার বোলিং করে ১০টি মেডেন দেন তিনি। ২৯ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। হ্যাজলউডও ২১ ওভার বল করে নেন ১০ ওভার মেডেন। ৪৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। ১টি নেন মিচেল স্টার্ক।