একজন মানবতাবাদী নেতা মুফতি ফয়জুল করিম


» উত্তরা নিউজ ডেস্ক জি.এম.টি | | সর্বশেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২০ - ১০:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন

বখতিয়ার খিলজি তোমার ঝাঁঝালো কণ্ঠে অগ্নিঝরা ভাষণে আমি আশার আলো দেখিতে পাই।তোমাতে এত সাহস দেখিয়া আমি বিস্মিত হইয়াছি।যেন কালজয়ী বক্তা বখতিয়ার খিলজি।বিদগ্ধ বক্তা,যেন এক মহা কবি।যাহার কথায় আছে দৃঢ়তা,আত্মবিশ্বাস,সৃজনশীলতা। যাহার জীবনে রহিয়াছে পরিশ্রম, অধ্যবসায়,সাধনা ও নিরন্তন প্রচেষ্টা।যাহার ব্যবহারে মুগ্ধতা বিরাজমান।তাহার কথায় যেন সুধা মিশিয়া রহিয়াছে।যাহার কণ্ঠে দেশপ্রেম, প্রভু প্রেম,নবী প্রেম এর বাণী উচ্চারিত হয়

।যাহার ধমনিতে প্রবাহিত ঈমানের রক্তিম রক্ত।যাহার ভাষণে কম্পিত হয় জালিম শাহীর মসনদ।যাহার হুংকারে ওপারের মোদির ঘুম হারাম হইতে শুরু করে। বাতিলের রক্তচক্ষুকে যিনি উপেক্ষা করিয়া চলিতে পারে তিনি হইলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম।তাহার হাঁটাতে চিন্তা,বসাতে চিন্তা, ঘুমাতে চিন্তা।সেই চিন্তা নিজের জন্য নহে।সেই চিন্তা ইসালামের জন্যে,সেই চিন্তা দেশের জন্যে,দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে জন্যে, । তাহার কথায় যেন কেহ মধু মাখিয়া দিয়াছে। যখন কথা বলে, তখন মন চাহে সারাক্ষণ কান পাতিয়া শুনিতে থাকি,যখন বয়ান করে সে কি কান্না যেন দুনিয়া সম্পর্কে তাহার কোন জ্ঞান বুদ্ধি নেই।যখন রাজনৈতিক ময়দানে ভাষণ করিতে থাকেন তখন মনে হয় সেজন যেন রাজনৈতিক গুরু হইয়া মাঠ চষিয়া বেড়াইতেছে। তাহার ভাষণে যেন শুকনো নদীতে অাষাঢ়ের ভরা বর্ষার জোয়ারের আগমন ঘটিয়াছে।ভাষণ প্রদান করিবার সময় তাহার চোখ মুখ থেকে যেন অগ্নি বিচ্ছুরণ ঘটে।হযরত উমরের ন্যায় সাহসী উপস্থানায় কাড়ে লাখ জনতার হৃদয়।তাহার কথায় যুক্তি রহিয়াছে। রহিয়াছে তাহার ইতিহাস জ্ঞান।

ইসলামের সোনালী যুগের ইতিহাস রচিতে যাহার অদম্য পথ চলা তাহার থামিবার সময় নাহি।তিনি সদা চলিতে থাকে সত্যের পথে, সাহসের সাথে তড়িৎ বেগে।মরীচিকার পেছনে ছুটিয়া তিনি সময় অপচয় করিতে চাহে না। ইসলামের সুমহান অাদর্শকে উম্মাহর মাঝে পৌঁছাইয়া দিতে রাত দিন দেশ হইতে দেশান্তরে দুর্বার গতিতে ছুটিতেছে। এই যেন নিরলস অভিযাত্রা।আর তিনি যেন নিরলস অভিযাত্রী।আমি তাহার মাঝে দেখিয়াছে খালিদ বিন ওয়ালিদের বীরত্ব,হযরত আবু বকর রা এর ন্যায় মহত্ত আর মুহাম্মদ বিন কাসিমের মত তেজোদীপ্ত ঈমানি সাহস।

তিনি সাধারণের মাঝে অসাধারণ হইতে আরম্ভ করিয়াছেন।আমি তাহার অন্ধ ভক্ত না হইলেও আমি তাহাকে ভালবাসিয়াছি তাহার সততা ও নিষ্ঠার কারণে।তাহার আদর্শ, নীতি নৈতিকতার মাঝে কোন ভেজাল নেই সেটা দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট।যুগে যুগে যাহারা ক্ষমতার মোহে আদর্শচ্যুত হয়নি তাহাদের দলে তিনিও সামিল হইয়াছে তাহাতে কোন সন্দেহ নেই।তিনি যাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণে চলিতেছে তাহারাও তৎকালীন যুগের আল্লাহর প্রিয় মানুষ ছিলেন। অনেকেই তাহার সমালোচনা করিয়া অানন্দে লাফিয়া উঠে।আমি তাহাদের ভর্ৎসনা করিব না।

তাহাদের প্রতি আমার সশ্রদ্ধ সালাম পৌছাইয়া দিবেন।এই জাতির তরে মুফতি ফয়জুল করিম যাহা করিতেছে তাহা কি আপনি করিতে পারিবেন?? উত্তরটা যদি না বোধক হইয়া থাকে তাহলে কেন অযাথা অাপনি তাহার সমালোচনা করিয়া গুনাহের কাজ করিবেন।গঠণমূলক ও শুদ্ধির নিয়তে যদি সমালোচনা করিতেন তাহলে সবার আগে তাহাকে অবগত করিতেন আপনি ভ্রান্ত পথে চলিতেছেন।তিনি সদা বলিয়া থাকেন তাহার ভুল হইলে তিনি শোধরিয়ে নিতে দ্বিধাবোধ করিবেনা বরং শুকরিয়া অাদায় করিবেন।অথচ আপনি তাহা না করিয়া জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিন দিন বহু বাড়িয়া যাইতেছেন।

তিনি মানুষ, তাহার ভুল হইবেনা তাহা ভাবার কোন কারণ হইতে পারোনা।তাই বলিয়া সত্য মিথ্যা যাচাই না করিয়া তাহার বিরুদ্ধে অপবাদ আর বিষোদগার করা কোন বিবেকবান মানুষের কর্ম হইতে পারেনা। তাহার কথায় যত পাপিষ্ট গুনাহেরর কাজ ছেড়ে নামাজ রোজা করিতেছে তাহা না ভাবিয়া তাহার বিরুদ্ধে নিয়মিত লাগিতেছি যেন তিনি মানুষকে হক কথা বলে অপরাধ করিতেছেন। তা না হইলে তাহাকে নিয়ে বিভ্রান্তি আর মিথ্যা অপবাদ দিইবার কোন মানে হইতে পারেনা। যাহার ডাকে লাখ মানুষ প্রাণ দিতে বদ্ধপরিকর তাহাকে ক্ষুদ্র জ্ঞান না করিয়া যেখানে সহযোগিতা করা উচিত সেখানে তাহার বিরোধাতায় যেন প্রতিযোগিতা শুরু করিয়াছি।

যাহাদের কাজ সত্যকে গ্রহণ করা তাহারা আজ মিথ্যাকে আশ্রয় করিয়া বাঁচিতে চাই।তাহাদের জন্য দুঃখ যাহারা বুঝিয়াও না কুঝিবার ভান করিতেছে।আমরা তো মুহাম্মদের উম্মত।আমরা এক আল্লাহ,এক নবী,এক কোরআনে যদি বিশ্বাসী হই তাহলে আমাদের মাঝে এত হিংসা বিভেদ ও প্রতিহিংসার থাকিবে কেন?? মুফতি ফয়জুল করিম এদেশের একজন দেশপ্রেমিক ও দ্বীন প্রেমিক নেতা।যাহার রাজনীতি ইসলাম,দেশ,মানবতা ও স্বাধীনতার পক্ষে।

লেখকঃ নুর আহমদ সিদ্দিকী