উত্তরা নিউজ উত্তরা নিউজ
অনলাইন রিপোর্ট


উত্তরায় আইইউবিএটি’র পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত






আল-আমিন কিবরিয়া: ২১ মার্চ, বৃহস্পতিবার উত্তরার ১৪ নং সেক্টর খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) এর পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে শুরু হওয়া উক্ত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছয় হাজার আটশত তিনজন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা সনদ গ্রহণ করেন। এ সময় মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভালো ফলাফল করেছেন এমন গ্র্যাজুয়েটের হাতে ফাউন্ডার মিয়ান স্বর্ণপদক প্রদান করেন। এদিকে সকালে ডা. দীপু মনি তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি আইইউবিএটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের পক্ষে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সমার্তন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আইইউবিএটি’র পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য প্রদান করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও মহান শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডক্টর আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী। এ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের খ্যাতনামা কথা সাহিত্যিক ও দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার স¤পাদক ইমদাদুল হক মিলন। অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ডঃ আব্দুর রব ।
এসময় আইইউবিএটি’র সার্বিক শিক্ষা সাফল্য এবং অগ্রগতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি বলেন, ব্যবসায় ও ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার পাশাপাশি পর্যটনশিল্পের দক্ষ জনপদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আইইউবিএটি’র চার বছর মেয়াদী ¯œাতক ডিগ্রি চালু করে যা দেশের পর্যটনশিল্পের জন্য বড় প্রাপ্তি। নার্সিং পেশায় মানসম্মত উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের স্বাস্থ্য খাতে এবং কৃষি ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের দৃষ্টান্ত হয়ে আছে আইইউবিএটি।
উল্লেখ্য যে, দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবিএটি শুরু হয়েছিল ১৯৯১ সালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক পরিচালক ডঃ এম আলিমউল্যা মিয়ান স্বনামধন্য এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। আইইউবিএটি’র উপর্যুক্ত শিক্ষার দিক নির্দেশনার মাধ্যমে মানব স¤পদ উন্নয়ন ও জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক
ভূমিকা পালন করা একটি সময়োপযোগী আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষার কারিকুলাম ও পাঠদান পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।