ঈমানদার সর্ব অবস্থায় থাকবে আশাবাদী, কখনো হতাশ হবেনা

অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ

» এইচ এম মাহমুদ হাসান | | সর্বশেষ আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২০ - ০২:০৫:০৫ অপরাহ্ন

জীবনের অনিবার্য পরিনতি হচ্ছে মৃত্যু।
কবির ভাষায়ঃ
“জন্মিলে মরিতে হবে,
অমর কে কোথা কবে?”
মৃত্যু সুনিশ্চিত হলেও এর সময়টা সম্পুর্ণ অনিশ্চিত।
কাজেই আমাদেরকে জীবনের  সর্ব পর্যায়ে ধৈর্য্যের পরিচয় দিতে হবে। বিষয়টি শুনতে সহজ হলেও বাস্তবে খুবই কঠিন। এজন্যই আল্লাহ বলেন ” নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন”। আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন “আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব ভয় ও ক্ষুধা এবং জান – মাল ও ফসলের কিছুটা ক্ষতি দিয়ে, আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও, তাদের ওপর মুসিবত এলে তারা যেন বলে নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর এবং আমরা তাঁর কাছেই ফিরে যাব” ( সুরাঃ বাকারা , আয়াত ঃ১০৫-১০৬)।
হতাশা কখনো মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারেনা। মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আঃ) বৃদ্ধকালে পুত্র হওয়ার সুসংবাদ শুনে বলেন ” পথভ্রষ্টরা ছাড়া আর কে আপন প্রভুর রহমত হতে নিরাশ হতে পারে” সুরা-হিজর, আয়াতঃ ৫৬। বিশিষ্ট সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন ” সবচেয়ে বড় কবিরা গুনাহ হচ্ছে (১) আল্লাহর সাথে শির্ক করা (২) আল্লাহর পাকড়াও হতে বেপরোয়া হওয়া (৩) আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ে পড়া” ( মুসান্নাফে আঃ রাজ্জাক, হাদিস: ১৯৭০১)।
নোভেল করোনা ভাইরাসের হামলায় সারা বিশ্ব যখন পর্যদুস্ত,  এই কঠিন সময়ে আসুন আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে নিরাশ না হয়ে তার রহমত পাওয়ার প্রত্যাশায় থাকি। নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করবেন। আমীন।