ঈদকে সামনে রেখে মাধবদীর গ্রাম এলাকায়ও জমে উঠেছে অস্থায়ী পশুর হাট 


» এম. শরীফ হোসেন | নরসিংদী প্রতিনিধি | | সর্বশেষ আপডেট: ০৭ অগাস্ট ২০১৯ - ০৮:৫৪:০৫ অপরাহ্ন

আগামী সপ্তাহের সোমবার (১২ আগষ্ট) বাংলাদেশে পালিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদ-উল আযহা।বাংলাদেশে যা কোরবানীর ঈদ নামেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে পরিচিত।এ ঈদে মূলত আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগ তিতীক্ষার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে মহান আল্লাহ তা-আলার কাছে পশু কোরবানীর মাধ্যমে নিজেকে সমর্পণ করে থাকে মুসলমানগন। আর এসব কোরবানীর পশু ক্রয় বিক্রয়ের জন্য  সারাদেশে বারোমাসি পশুর হাটগুলোর পাশাপাশি ঈদের ৮/১০ দিন পূর্ব হতে অস্থায়ীভাবে দেশের বিভিন্ন স্কুল কলেজের মাঠ, খেলার মাঠ সহ অনাবাদি জমিতে পশুর অস্থায়ী বিশেষ হাট জমানো হয়।  আর এসব হাটগুলোও স্বল্প সময়ের জন্য বেশ জমে উঠে। সারাদেশের ন্যয়  নরসিংদীর মাধবদীতেও শহরাঞ্চলীয়  পশু বিক্রীর বড় হাটগুলোর পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলের অনেক স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট জমানো হয়েছে। এর মধ্যে নুরালাপুর হাইস্কুল মাঠ, ছেরেন্দা প্রাইম সিটি বালুর মাঠ, মাধবদী কলেজ রোড হাট সহ বেশ কয়েকটি অস্থায়ী কোরবানীর পশুর হাট জমিয়েছে স্থানীয় স্ব-স্ব কতৃপক্ষ।
সরেজমিনে বুধবার (৭ আগষ্ট) ছেরেন্দা প্রাইম সিটি বালুর মাঠ পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, পশু ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়।বিক্রেতাগণ বিভিন্ন দামের পশু নিয়ে এসেছে এখানে।ভারতীয় গরু আমদানীতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় দেশীয় গরুতে জমজমাট হয়েছে হাট।দামও রয়েছে হাতের নাগালে। সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা মূল্যে গরুর মধ্যে। তবে, গ্রামাঞ্চলের হাট হলেও এ হাটে সবচেয়ে বড় যে গরুটি এসেছে তার দাম হাকা হয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ক্রেতারা তার দাম তুলেছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা।তবে, গরুর মালিক রাশেদ জানান, গরুটি ২ লাখ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রীর আশাবাদী তিনি।
এদিকে, হাটের হাসিল সম্পর্কে জানতে চাইলে ক্রেতাগণ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, হাসিলে হাজার প্রতি ২০ টাকা চাওয়া হলেও নিজ বিবেক খাটিয়ে ক্রেতাগণ খুশি মনে যে যা দিচ্ছে তাতেই  হাটের কতৃপক্ষ সন্তোষ মনে মেনে নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে কথা হলে হাট জমানো কতৃপক্ষ প্রধাণ আমদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাঃ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমি একটি টেন্ডারের  মাধ্যমে জায়গা ঈদকালীন সময়ের জন্য লিজ এনে এখানে হাট জমিয়েছি।এ টেন্ডার খরচ উঠে এলেই আমার চলবে।আর তার বেশী যদি কিছু উঠে তবে তা আমার সহ কর্মী যারা হাটে বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করছে তাদেরকে খাবার খরচ হিসেবে দিয়ে দিব।এখানে কোন ব্যাবসায়ী উদ্দেশ্য না থাকায় আমরা হাসিল নিয়ে কোন চাপ দিচ্ছিনা।