`ইসলামের স্বার্থে সর্বত্র সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে’


» উত্তরা নিউজ I সারাবাংলা রিপোর্ট | | সর্বশেষ আপডেট: ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ - ০৩:০৫:৩৭ অপরাহ্ন

মাহদী হাসান: গতকাল ২৩ ডিসেম্বর ০২০, বুধবার, সিলেটের বৃহত্তম ইসলামি বিদ্যাপীঠ জামেয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গা, মোগলাবাজার, দক্ষিণ সুরমার বার্ষিক ইসলামি মহাসম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। দেশের অনেক শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ও মাশায়িখে এযামের নসীহত প্রদান ও হাজার হাজার মুসলিম জনসাধারণের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে মহাসম্মেলন ২৪ ডিসেম্বর বাদ ফজর আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়েছে।

জামেয়ার মুহতামিম হযরত মাওলানা শায়খ মুহিউল ইসলাম বোরহান সাহেব এবং জামেয়ার শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা নজির আহমদ ঝিঙ্গাবাড়ীর সভাপতিত্বে এবং জামেয়ার শিক্ষক মাওলানা আহমদ কবীর খলীল ও মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমানের পরিচালনায় সম্মেলনে বয়ান পেশ করেন ; আলহাইআতুল উলিয়া এবং বেফাকুল মাদারিসের সভাপতি মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান শায়খে যাত্রাবাড়ী। শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা নুরুল ইসলাম খান সুনামগঞ্জী। শায়খুল হাদীস মাওলানা সাজিদুর রহমান, বি বাড়িয়া। শায়খুল হাদীস মাওলানা আবদুল মালিক রুপসপুরী। শায়খুল হাদীস মাওলানা ড. মুশতাক আহমদ, ঢাকা। শায়খুল হাদীস মাওলানা ফজলুর রহমান খান, বানিয়াচং। শায়খুল হাদীস মাওলানা মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, ঢাকা। হযরত মাওলানা শায়খ আবদুস সালাম বাগরখলী। হযরত মাওলানা মুফতি আবুল হাসান জকিগঞ্জী। হযরত মাওলানা নাজির উদ্দীন, লন্ডন। হযরত মাওলানা নুরুল ইসলাম সুফিয়ান, সাহেবজাদায়ে শায়খে রেঙ্গা। হযরত মাওলানা তালেব উদ্দিন, শমশেরনগরী। হযরত মাওলানা মুফতি মুশাহিদ কাসিমী, মৌলভীবাজার। হযরত মাওলানা আবুল কালাম কান্দেপপুরী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম। ইসলামের বিরুদ্ধাচরণ করা মানে শান্তি ও মানবতার বিরুদ্ধে দাড়ানো। তারা বলেন, কুরআন হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নসীহত গ্রণ্হ, যারা কুরআনের ঙানে পারদর্শী তারাই কেবল এ গ্রণ্হের মাধ্যমে মানুষকে নসীহত করার অধিকার রাখে। এবং এটা তাদের ইমানী দ্বায়িত্বও বটে। সুতরাং তাদের এই দ্বায়িত্ব পালনে বাঁধা হয়ে দাড়ানো মূলত জনগণকে ইসলাম থেকে দূরে সরানোর সুক্ষ কৌশল ও গভীর ষড়যন্ত্র। মুসলিম দেশে এধরনের ষড়যন্ত্র কখনও মেনে নেয়া যায় না।

বক্তারা আরও বলেন, আমাদেরকে শুধু মুসলমান দাবি করলে হবে না, বরং জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে ইসলামের বিধি বিধান মেনে চলতে হবে। তবেই আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় আসবে। তারা বলেন, কওমি মাদ্রাসা হলো ইসলাম রক্ষার দূর্গ এবং আল্লাহওয়ালা ও মানবতার দরদী মানুষ গড়ার কারখানা। ইসলাম কায়েমের লক্ষ্যে সমস্ত মুসলমানদের জন্য জরুরী হলো, কওমি মাদ্রাসার পাশে দাড়ানো। কারণ, প্রকৃত দেশ দরদী আদর্শ নাগরিক গঠনে কওমি মাদ্রাসার বিকল্প নেই।