uttaranews24 uttaranews24
সবার আগে সবসময়


ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না; উত্তরায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী







মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান: গত ২৩ শে মার্চ ২০১৯ উত্তরায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গীতাঞ্জলি ললিতকলা একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী বইমেলায় উপস্থিত হন। উত্তরা ৩ নং সেক্টরের রবীন্দ্র স্বরণীর পশ্চিম কোণে বটতলাখ্যাত স্থানটিতে গীতাঞ্জলি ললিতকলা একাডেমী কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানের ষষ্ঠ দিনে আসাদুজ্জামান খান কামালের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নাবিদ কামাল শৈবাল, উত্তরা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ স¤পাদক হাসানুজ্জামান আকন্দ স্বপন ও গীতাঞ্জলি ললিতকলা একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক মাহবুব আমিন মিঠু।

গতকাল সন্ধ্যা আনুমানিক আটটায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনে আয়োজনটির র্পূণতা ফুটে ওঠে। দৃষ্টিনন্দন মঞ্চে বক্তব্য রাখেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ সময় মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা গভীর চিত্ত স্মরণ করেন তিনি এবং বলেন, আজকের এই আয়োজন সত্যিই আমাদেরকে আনন্দ জাগিয়েছে। গীতাঞ্জলির এই আয়োজন সারাদেশে ছড়িয়ে যাবে এটাই আমার প্রত্যাশা। আমরা আশা করি এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের নতুন প্রজন্ম এদেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা জানতে পারবে, বঙ্গবন্ধুর কথা জানতে পারবে, সর্বোপরি বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে পারবে। তাই আমি আজকের এই অনুষ্ঠান আয়োজনকারীদের ধন্যবাদ জানাই এবং আগামী বছর যেন আরও ভালোভাবে এই স্থানটিতে বঙ্গবন্ধুর ১০০তম জন্মদিবস পালন করা যায় আমি সেই কামনাই করি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। আমরা ইতিহাস থেকে মীরজাফরের নাম শুনেছি। ইতিহাস কিন্তু মীরজাফরকে ক্ষমা করেনি। যারা অসৎ তাদেরকে মীরজাফরের মত পরিণতি বরণ করতে হয়ম এতে কোন সন্দেহ নেই। যারা পূর্ব ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না, তাদের মত বোকা আর কেউ নেই। আর তাই তো ইতিহাসের ঘৃণ্য ব্যক্তিদেরকে বাঙালী জাতির প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে ।
আসাদুজ্জামান খান আরও বলেন, তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এদেশের মানুষকে সচেতন করতে চেয়েছিল, কিন্তু বাঙালি জাতি কোনদিনই অন্যায়কে মেনে নেয়নি তাই আমরা যুদ্ধ করে এদেশে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেছি। ভবিষ্যতেও কোনো প্রকার অন্যায়ের সামনে বাঙালি জাতি মাথা নত করবে না।
পরে তিনি অনুষ্ঠানের স্থানটিকে ‘বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চ হওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন। এসময় আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে সময় জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি বর্ণনা করতে গিয়ে বাংলার অবিসংবাদিত নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের কথা মনে করিয়ে দেন এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান তুলে ধরেন তিনি।