উত্তরা নিউজ উত্তরা নিউজ
অনলাইন রিপোর্ট


আবাহনীতে আসছে নতুন দুই বিদেশি






প্রথমবারের মতো এএফসি কাপের দ্বিতীয় পর্বে (ইন্টার জোন সেমিফাইনাল) ওঠা আবাহনী দলের শক্তি বাড়াতে নতুন দুই বিদেশি ফুটবলার এনেছে। এর মধ্যে একজন মিশরের স্টপার আলা এলদিন নাসির, আরেকজন দক্ষিণ কোরিয়ার মিডফিল্ডার লি তাইমিন। দু’জনই কোচ মারিও লেমোসের অধীনে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ইতিমধ্যে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা হারানো আবাহনী এএফসি কাপের প্রস্তুতিতে নেমেছে শুক্রবার থেকে। ইন্টার জোন সেমিফাইনালে আবাহনীর প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ স্পোর্টস ক্লাব (৪.২৫ এসসি)। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক এই সেমিফাইনালে প্রথমেই ঘরের মাঠে খেলবে আবাহনী, ২১ আগস্ট।

এএফসি কাপে আবাহনীর এই ইতিহাস গড়ার অন্যতম নায়ক ছিলেন তাদের আফগানিস্তানের ডিফেন্ডার মাসিহ সাইঘানি; কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে তাকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় আকাশি-হলুদরা। কারণ, এ আফগান ডিফেন্ডার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন ইন্ডিয়া সুপার লিগে (আইএসএল)। তিনি খেলবেন চেন্নাইন এফসিতে। লিগের পর তিনি ভারতে চলে গেছেন।

আবাহনী অবশ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইন্টার জোন সেমিফাইনালের ম্যাচ দুটিতে মাসিহ সাইঘানিকে পেতে। এ জন্য তারা চেন্নাইন এএফসির সঙ্গে আলোচনা করছে। সমস্যা হচ্ছে আবাহনীর ম্যাচের আগেই চেন্নাইন এফসি শুরু করবে তাদের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি।

২১ আগস্ট ঢাকায় ম্যাচ খেলে আবাহনী অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে তার ৭ দিন পর, উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ংয়ের কিম ইল সুং স্টেডিয়ামে। জিতলে আবাহনী উঠবে ইন্টার জোন ফাইনালে।

মিশরের স্টপার আলা এলদিন নাসির আবাহনীতে নতুন হলেও বাংলাদেশে আগেও এসেছেন। মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসের হয়ে দুই বছর আগে তিনি খেলে গেছেন চট্টগ্রামে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপে। আজ (মঙ্গলবার) আবাহনী মাঠে অনুশীলন শেষে মিশরীয় এই স্টপার বলেন, ‘আমি চট্টগ্রামে খেলে গেছি। বাংলাদেশের ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা থাকায় খেলোয়াড়দের সম্পর্কেও ধারনা আছে আমার।’

উত্তরা নিউজ/এস,এম,জেড