Avatar উত্তরা নিউজ টোয়েন্টিফর ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট


আগামীতে সব নির্বাচনে ব্যবহার হবে ‘ইভিএম’ মেশিন






আগামীতে সব ধরনের নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার ইসির ৪৭তম বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ৫ মে অনুষ্ঠেয় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সবকেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

তবে, এ সিটিতে ট্যাব ব্যবহার করা হবে কি-না সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

এটিএম শামসুল হুদার কমিশন ২০১০ সালে দেশে প্রথমবারের মতো ভোটে ইভিএম ব্যবহার করে। সেই ভোটযন্ত্র তৈরি করে দিয়েছিল বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)।

গড়ে ২০ হাজার টাকার সেই ইভিএমের একটি ২০১৩ সালে রাজশাহীর সিটি নির্বাচনের একটি কেন্দ্রে ব্যবহার করে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ কমিশন। যা ভোটগ্রহণের সময় বিকল হয়ে যায়। মেশিনটি আর ঠিক করা সম্ভব না হলে পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন আবার ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করে।

এরপর রকিব কমিশন নতুন করে উন্নতমানের মেশিন তৈরির উদ্যোগ নেয়। সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান নূরুল হুদা কমিশন প্রতি মেশিন বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির কাছ থেকে তৈরি করে নিচ্ছে।

এই ইভিএম ব্যবহার করে রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশাল সিটি নির্বাচনে বেশ সাড়া পায় কমিশন। তারপরই সংসদ নির্বাচনেও সেটি ব্যবহার করে ইসি। সর্বশেষ পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে ১০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ করে ইসি।

সূত্র জানায়, দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য একটি প্রকল্পও নিয়েছে কমিশন। ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণের জন্য ৮২ হাজার মেশিন প্রস্তুত করেছে সংস্থাটির।

আলাদা অধিদপ্তর হচ্ছে না:

আজকের কমিশন বৈঠকে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগকে আলাদা অধিদপ্তর করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। কিন্তু কমিশন এতে মত না দিয়ে প্রয়োজনীয় জনবল বাড়ানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানা গেছে।

ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পাশে থাকবে ইসি:

জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনে ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পাশে থাকবে কমিশন। নির্বাচনের পর বিনা দোষে যাতে এসব কর্মকর্তাদের ভোট সংক্রান্ত কারণে চাকরিতে কোনো সমস্যা না হয় বা বদলি করা না হয়। এ বিষয়ে কমিশন এসব কর্মকর্তাদের পাশে থাকবে বলে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।