‘আইজি ব্যাজ পেলেন ট্রাফিক উত্তরের গোবিন্দ চন্দ্র পাল’


» মুহাম্মদ গাজী তারেক রহমান | উত্তরা নিউজ, স্টাফ রিপোর্টার | সর্বশেষ আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২০ - ০৬:৪৮:৩১ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার: পেশাগত দক্ষতা, জনসচেতনতা এবং মানবিক পুলিশ সার্ভিস প্রদানের জন্য প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ২০১৯ সালের `IGP’s Exemplary Good Services Badge’ (আইজি’জ ব্যাজ) পেয়েছেন ট্রাফিক উত্তরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোবিন্দ চন্দ্র পাল। ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২০’ উপলক্ষে ০৭ জানুয়ারি বেলা এগারটায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনস্- প্যারেড গ্রাউন্ডে তাকে এ ব্যাজ পরিয়ে দেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার)।

উল্লেখ্য যে, গোবিন্দ চন্দ্র পাল ট্রাফিক উত্তরের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে ২০১৯ সালে যোগদানের পর অত্র অঞ্চলে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে পরিবহন মালিক, চালক, হেলপারদের পাশাপাশি যাত্রী সাধারণদের মাঝে ব্যাপক সচেতনতামূলক কর্মকা- পরিচালনা করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সপ্তাহে তিন দিন বিমানবন্দর ট্রাফিক বক্সে চালকদের এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। পাশাপাশি ট্রাফিক উত্তর বিভাগের প্রতিটি ইন্টারসেকশন এর পাশে যাত্রীবাহী গণপরিবহনের জন্য আলাদা লেন চালুতে বিশেষ অবদান রাখেন আইজি’জ ব্যাজ-২০১৯ অর্জনকারী গোবিন্দ চন্দ্র পাল। এর ফলে যাত্রীগণ চলন্ত গাড়ি থেকে ঝুঁকি নিয়ে না বরং নির্দিষ্ট লেন থেকে উঠানামা করতে পারছে। এতে করে একদিকে যেমন সহনীয় হয়ে আসছে যানজট অন্যদিকে, অনেকাংশেই কমে গেছে সড়ক দূর্ঘটনার হার।

ইতিপূর্বে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কার্যক্রমের উদ্যোগ গ্রহণ ও বিশেষ অবদান রাখায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কর্তৃক শ্রেষ্ঠ উপ-পুলিশ কমিশনার পুরস্কার পেয়েছেন গোবিন্দ চন্দ্র পাল। উত্তরা, বিমানবন্দর, বাড্ডাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার বিভিন্ন স্থানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে সড়কে চলাচল এবং সড়ক আইন সম্পর্কে নিয়মিত কাউন্সিলিংসহ নানা ধরনের প্রশংসনীয় কাজ পরিচালনা করে আসছেন তিনি। যার ফল স্বরূপ এবারের আইজি’জ ব্যাজ-২০১৯ প্রাপ্ত হন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

সম্মাননা (ব্যাজ) প্রাপ্তির বিষয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার গোবিন্দ চন্দ্র পাল উত্তরা নিউজকে বলেন, “যেকোন ধরনের স্বীকৃতি কাজের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগায়। বাহিনী প্রধানের কাছ থেকে সম্মননা পেয়ে সত্যিই ভালো লাগছে। ভবিষ্যতে নিজের সেরাটুকু দিয়ে কাজ করে যাব।”