অধ্যাপক শফিউল হত্যা মামলায় পিন্টু সহ ২ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যা মামলায় তিন জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় দেন। এ মামলার বাকি আট আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বিএনপিকর্মী আব্দুস সালাম পিন্টু, যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম মানিক ও সবুজ শেখ। এদের মধ্যে সবুজ পলাতক রয়েছেন। বাকি দুজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলায় খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- জেলা বিএনপির যুগ্মসম্পাদক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, পিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আক্তার রেশমা,  সিরাজুল ইসলাম কালু, আল-মামুন, সাগর, জিন্নাত, আরিফ ও ইব্রাহিম খলিল ওরফে বাবু।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি এন্তাজুল হক বাবু বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের  নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় অধ্যাপক শফিউলকে।

পরের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মুহাম্মদ এন্তাজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে নগরীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই বছরের ২৩ নভেম্বর প্রধান সন্দেহভাজন পিন্টুসহ ছয়জনকে আটক করে র‌্যাব। এরপর পিন্টুর স্ত্রী রেশমাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।

২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউস সাদিক জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখায় কর্মরত নাসরিন আখতার রেশমার সঙ্গে অধ্যাপক শফিউল ইসলামের দ্বন্দ্বের জেরে তার স্বামী যুবদল নেতা পিন্টু লোকজন নিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *