জাতীয়

vat-fest

দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ। সোমবার সকালে ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহের উদ্বোধন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া।

 

‘ভ্যাট দিচ্ছে জনগণ, দেশের হচ্ছে উন্নয়ন’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে এবার জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে।

ভ্যাট দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভ্যাট দিবসের বাণীতে বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে রাজস্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। রাষ্ট্রের নানাবিধ ব্যয় নির্বাহ এবং উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তার সিংহভাগই আসে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব থেকে। আর এ রাজস্বের অন্যতম উৎস হচ্ছে ভ্যাট। যথাসময়ে সঠিক পরিমাণ ভ্যাট আহরণ নিশ্চিত করতে ভ্যাট আহরণকারী কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি রাজস্ব আহরণের গতিকে আরও বেগবান করতে ব্যবসায়ী, ভোক্তা সাধারণ, রাজস্বকর্মীসহ দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা আনয়নের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, যুগোপযোগী রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ব্যবসায়িক ও রাজস্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে অত্যাধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার করে রাজস্ব প্রশাসন সুসংগঠিত ও সুসংহত করার মাধ্যমে রাজস্ব আহরণে মানসম্মত পরিবর্তন আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজস্ব প্রবৃদ্ধির অন্যতম সহায়ক শক্তি জনগণ।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাজস্ব প্রবৃদ্ধির কারণে দেশ আজ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারছেন।

ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহের উদ্বোধন করে সকালে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ভ্যাট থেকে প্রতিবছর সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় হয়। সুতরাং ভ্যাট আমাদের রাজস্ব আয়ের প্রধান ক্ষেত্র।

দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে ব্যবসায়ীসহ সকলকে সঠিক হারে ভ্যাট প্রদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক

ইমরান খান

পাকিস্তানের প্রাক্তণ ক্রিকেট তারকা ইমরান খান এখন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম কোনো বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিলেন তিনি।

 

সম্প্রতি মার্কিন ওয়াশিংটন পোস্টের  ল্যালি ওয়েমাউথের সঙ্গে ইমরানের কথোপকথনে উঠে আসে বহু তথ্য। এর কিছু অংশ এখানে দেয়া হলো—

প্রশ্ন. আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কী ভাবছেন? রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদীদের অভয়াশ্রম। একই সঙ্গে অনুদানও না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে টুইটারে বাকযুদ্ধও হয়েছিল।

উত্তরঃ: টুইটারে বাকযুদ্ধ হয়নি। আমি শুধু বলেছিলাম ট্রাম্প ইতিহাস না জেনে কথা বলছেন। আর তাছাড়া কোনো দেশের সঙ্গেই আমরা এমন কোনো সম্পর্কে যাব না যেখানে আমাদের ভাড়া করা বন্দুক ভাবা হবে। আমরা আমাদের দেশের মাটি ব্যবহার করে অন্য কারও হয়ে যুদ্ধ লড়ব না।

প্রশ্ন: কিন্তু, ট্রাম্পতো আপনাকে কিছু বলেননি। তার অভিযোগ ছিল, পাকিস্তানের প্রাক্তণ শাসকদের বিরুদ্ধে।

উত্তর: উনি বলেছেন পাকিস্তানই (তালেবানদের নেতাদের) এসব অভয়াশ্রমের কারষ। কিন্তু, পাকিস্তানে এ রকম কিছু নেই।

প্রশ্ন: আমেরিকার কর্মকর্তারা মনে করেন, পাকিস্তানে  তালেবানের জঙ্গিরা থাকে।

উত্তর: আমি ক্ষমতায় আসার পর নিরাপত্তা বাহিনী আমাকে বলেছে, আমেরিকার কাছে বারবার জানতে চাওয়া হয়েছে জঙ্গি ঘাঁটি কোথায় আছে? ওরা বলেনি। আর তাই আমরা  বিশ্বাস করি, পাকিস্তানে তালেবানের জঙ্গি ঘাঁটি নেই।

প্রশ্ন: এই বক্তব্যে আপনার বিশ্বাস আছে?

উত্তর: আমাদের দেশে আফগানিস্তানের প্রায় ২৭ লাখ উদ্বাস্তু এখনও বাস করেন। কিন্তু, তারা সবাই উদ্বাস্তু শিবিরে থাকেন।

প্রশ্ন: কিন্তু, আপনার কী মনে হয় আমেরিকা বোকা?

উত্তর: জঙ্গিদের অবস্থান কোথায়? সেটা আমাদের জানা নেই। প্রথম কথা হচ্ছে, এখানে কোনো আশ্রয়স্থল নেই। যদি দুই-তিন হাজার তালেবান পাকিস্তানে এসেও থাকে, তাহলে তারা খুব সহজেই আফগান শরণার্থী শিবিরে চলে যেতে পারে।

প্রশ্ন: ট্রাম্প তালেবানদের সঙ্গে আলোচনায় আপনার সাহায্য চেয়ে এ সপ্তাহে একটি চিঠি দিয়েছেন। আপনার উত্তর কী?

উত্তর: আফগানিস্তানে শান্তি পাকিস্তানের জন্য ভালো। আমরা এ জন্য সব কিছু করব।

প্রশ্ন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের কেমন সম্পর্ক চান সে সম্পর্কে কিছু ভেবেছেন? নাকি চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলার ওপরই নির্ভর করছেন?

উত্তর: পাকিস্তানকে ভাড়াটে সৈন্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে এমন কোনো সম্পর্কই আমি চাই না। আমাদের টাকা দিয়ে অন্যের যুদ্ধ লড়তে বলবে এটা চাই না। আমাদের আর কখনোই এই অবস্থায় যাওয়া উচিৎ হবে না। এতে শুধু মানুষের প্রাণহানি আর উপজাতিগুলোই ধ্বংস হয় না, এতে আমাদের আত্মমর্যাদাও নষ্ট হয়। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যথাযথ সম্পর্ক চাইব।

প্রশ্ন: এর মানে কী?

উত্তর: উদাহরণ হিসেবে বলা যায় চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক একপাক্ষিক নয়। এটা দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক। আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও এমন সম্পর্ক চাইব।

বিস্তারিত

উত্তরার খবর

sector 9-11 lake uttara

নানা রকম ময়লা আবর্জনা আর বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত বিভিন্ন অব্যবহৃত জিনিসের আবর্জনায় উত্তরা ১১ ও ৯ নং সেক্টরের গা ঘেঁষে উত্তর দিকে যে ঝিলটি রয়েছে সেটি ধীরে ধীরে সংকুচিত হওয়ার অভিপ্রায় তৈরি হতে যাচ্ছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, লেকটির ধারে কয়েকটি স্থানে আশপাশের বাসা বাড়ি থেকে ফেলানো নানারকম উচ্ছিষ্ট বস্তু সামগ্রীর স্তূপ। কোথাও কোথাও স্থায়ীভাবে ফেলানো হচ্ছে এসব ময়লা আবর্জনা। এসব ময়লা আবর্জনা লেকের পানিতে পড়ে সেগুলো ভেসে যাচ্ছে লেকের মাঝে কিংবা কিনারে কিনারে। ফলে এক সময় নাব্যতা সংকটে পড়ার আশঙ্কায় রয়েছে লেকটি।
অন্যদিকে লেকটির উত্তর-পূর্ব কোণে পানির উপর বাঁশের শক্ত খুটির উপর তৈরি করা হয়েছে বসতঘরও। যা খালটিকে সংকুচিত করার ক্ষেত্রে আরও ভয়াবহতারও ইঙ্গিত প্রদান করছে।
এ বিষয়ে উপস্থিত কয়েকজনের কাছে জানতে চাইলে উত্তরা নিউজের প্রতিবেদক দলকে তারা জানান, ‘আশেপাশের বাসাবাড়ি গুলো থেকেই লেকের বিভিন্নস্থানে ময়লা ফেলা হচ্ছে। এমনকি তিন-চার তলার বাড়ির উপর থেকেও পলিথিনে ময়লা ভরে লেকে ফেলা হচ্ছে।’। উপস্থিত এক নিরাপত্তাকর্মী উত্তরা নিউজ জানায়, আমরা বহুবার এখানে ময়লা ফেলার জন্য নিষেধ করলেও আশপাশে অবস্থিত কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এখানে রাতের আঁধারে ময়লা ফেলছে। এ ব্যপারে কয়েকবার উত্তরা ১১ নং সেক্টর কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকেও তাদেরকে ময়লা না ফেলার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরেও লেকের পাশে বিভিন্ন স্থানে ময়লা ফেলছে কিছু লোকজন।
মনোরম পরিবেশের অন্যতম সৌন্দর্যম-িত লেকটিতে এভাবে ময়লা আবর্জনা যেমনিভাবে লেকটির জন্য ক্ষতি ঠিক তেমনি সকাল-বিকাল লেকের পাড়ে হাটতে আসা সেক্টরবাসীদের স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।
তাই সেক্টর কল্যাণ সমিতি কর্তৃপক্ষের উচিত, লেকটির প্রতি যথেষ্ট দৃষ্টি দেওয়া এবং লেকের পাড়ে ময়লা ফেলা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

বিস্তারিত

বিনোদন

kader-nur

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের লেখা উপন্যাস নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ হচ্ছে। উপন্যাসটির নাম ‘গাঙচিল’।

উপন্যাসের সঙ্গে মিল রেখে ছবিটির নাম ‘গাঙচিল’ চূড়ান্ত হয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করবেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। এখানে জুটি হিসেবে দেখা যাবে ফেরদৌস-পূর্ণিমাকে।

এই সিনেমায় অভিনয় করবেন বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী, বিশিষ্ট অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর।

রোববার সকালে অভিনয় করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসাদুজ্জামান নূর নিজেই।

এ বিষয়ে পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল জানান, আসাদুজ্জামান নূরের দৃশ্যধারণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ‘গাঙচিল’ ছবির কাজ। সপ্তাহখানেকের মধ্যে যেকোনো একদিন সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন গুণী এই অভিনেতা।

‘গাঙচিল’ সিনেমায় অভিনয় নিয়ে আসাদুজ্জামান নূর বলেন, এই ছবিতে আমি অতিথি চরিত্রের শিল্পী। আমার তেমন কিছুই করার নাই। শুনেছি, আমার চরিত্রটি একজন রাজনৈতিক নেতার। ফলে আমার আর অভিনয় করার কিছু নাই, জীবন থেকে নেওয়া।

আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘এই সিনেমার গল্পকার ওবায়দুল কাদের আমার রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক। সাধারণ সম্পাদক হওয়ার অনেক আগে থেকে তার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা। রাজনৈতিক সহকর্মীর একটা উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপ দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমাকে অনুরোধ করেছেন। ফলে শত ব্যস্ততার মধ্যেও কাজটা করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই ছবির পরিচালকের সঙ্গে ফোনে কয়েকবার আলাপ হয়েছে। চরিত্রটি নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়নি। দু-এক দিনের মধ্যে হয়তো তা হয়ে যাবে। চরিত্রটিতে অভিনয়ের ব্যাপারে অভিনেতা ফেরদৌস (অভিনেতার পাশাপাশি ‘গাঙচিল’ ছবির প্রযোজকও তিনি) আমার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করেছেন। তবে মহরতে অনুষ্ঠানে থাকার সুবাদে ছবিটি সম্পর্কে সেদিন কিছু ধারণা পেয়েছিলাম।

পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল বলেন, আসাদুজ্জামান নূরের মতো গুণী শিল্পীকে নিজের ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের অভিনেতা হিসেবে পাওয়ায় সম্মানিত বোধ করছি।

তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে নাটক আর বিজ্ঞাপনচিত্র বানালেও চলচ্চিত্রে আমি একেবারেই নতুন। আমার ছবিতে নূর ভাইয়ের (আসাদুজ্জামান নূর) মতো একজন শক্তিশালী অভিনেতা অভিনয় করতে রাজি হয়েছেন, এটা আমার সাহস বাড়িয়েছে। আমি অনুপ্রাণিত ও সম্মানিত বোধ করছি।

এ বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ‘গাঙচিল’ ছবির মহরত অনুষ্ঠিত হয়। এই ছবিতে ফেরদৌস সাংবাদিক আর পূর্ণিমা এনজিওকর্মীর চরিত্রে অভিনয় করবেন।

 
 

বিস্তারিত

খেলাধুলা

bangladesh cricket team

টিম কম্বিনেশন বদলায়নি। বাংলাদেশ তিন পেসার আর দুই স্পেশালিস্ট স্পিনার নিয়ে ঢাকার শেরেবাংলায় ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে-এটা দুই তিন দিন আগেই ঠিক হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বোলিং ছকে কোনো রদবদল ঘটেনি।

মাশরাফির নেতৃত্বে ৯ ডিসেম্বর তিন জেনুইন পেসবোলার আর দুই স্পেশালিস্ট স্পিনার নিয়েই খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। বোলিং ডিপার্টমেন্ট বা লাইনআপে কোনো পরিবর্তন না ঘটলেও প্রথম ম্যাচের একাদশ সাজানো নিয়ে তবু হয়েছে অনেক নাটক।

 

চলেছে আলোচনা-পর্যালোচনা। অনেক নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত একাদশে এসেছেন চার চারজন ওপেনার তামিম ইকবাল, লিটন দাস, ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার।

তারপরও ধোঁয়াশা কাটেনি। তামিম ইকবালের সাথে ওপেন করবেন কে-ইমরুল, সৌম্য না লিটন? তিনরকমই শোনা যাচ্ছিল। প্রথমে শোনা গেল ইমরুল কায়েসের নাম। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে দুই সেঞ্চুুরিসহ ৩৪৯ রান করা ইমরুলই হবেন তামিমের সঙ্গী- এমনটাই ধারণা ছিল।

পরে ইমরুলের সাথে সৌম্যর নামও উঠে আসে। জিম্বাবুয়ের সাথে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ম্যাচে সুযোগ পেয়ে সেঞ্চুরি করা সৌম্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচেও তামিমের সঙ্গী হয়ে শতক উপহার দেন। উঠে আসেন পাদপ্রদীপের আলোয়।

কিন্তু একদম শেষ মুহূর্তে শোনা যায়-নাহ, বাঁহাতি তামিম ইকবালের সাথে দুই বাঁহাতি ইমরুল-সৌম্যর কেউ না। ডানহাতি লিটন দাসকে দিয়ে ওপেন করানো হবে। আর তাতেই ইমরুল ওপেন থেকে তিনে আর সৌম্য ছয়ে চলে যান।

এমন টিম কম্বিনেশন নিয়ে বিস্তর হৈ চৈ। দলে আরও ব্যাটসম্যান থাকার পরও চার চারজন ওপেনারকে একসঙ্গে ১১ জনে রাখা কেন? চার ওপেনার তো আর ইনিংসের সূচনা করবেন না, দুজনই ব্যাট হাতে ওপেনারের ভূমিকায় থাকবেন। তাহলে বাকি দুজন ওপেনার কেন দলে?

এসব প্রশ্নও উঠে এসেছে। এটা ঠিক, চার ওপেনারের পক্ষে একসঙ্গে ওপেন করার সুযোগ নেই। বাকি দুজনকে টপ ও মিডল অর্ডারে খেলতেই হবে। হয়েছেও। তামিম-লিটন ওপেন করেছেন। আর ইমরুল খেলেছেন তিন নম্বরে। আরেক বাঁহাতি সৌম্য সরকারকে খেলানো হয়েছে ছয় নম্বরে।

কিন্তু কঠিন বাস্তবতা হলো-দলে থাকা মিঠুন আর আরিফুলের চেয়ে সৌম্য সব হিসেব নিকেশেই বেটার অপশন। ব্যাটের জোর বেশি। আর ওপরেই শুধু নয় নিচে নেমেও বড় ইনিংস খেলতে পারেন এই বাঁহাতি। শতরান হাঁকানোর পাশাপাশি ম্যাচ শেষ করে বিজয়ীর বেশে সাজঘরে ফেরার সামর্থ্যও আছে। তাই সৌম্যর ওপর আস্থা বেশি টিম ম্যানেজমেন্টের।

সে কারণেই চার ওপেনার খেলানো কেন? সে প্রশ্ন ধোপে টেকেনি। আর এমন নয়, চার ওপেনারকে খেলাতে গিয়ে একাদশের কোনো অতি নির্ভরযোগ্য বা অপরিহার্য সদস্য বাদ পড়েছেন।

তাই নির্বাচকরা পরের ম্যাচে মানে কালকেও আর নতুন পরীক্ষা নিরীক্ষায় যাচ্ছেন না। প্রথম দিন যে দল খেলেছে, কাল দ্বিতীয় ম্যাচেও সে দলটিই খেলবে। একাদশে কোনই পরিবর্তন আসছে না-প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু সোমবার রাতে জাগো নিউজকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, 'সাইফউদ্দীনকে খেলানোর কথা উঠেছে। তবে অধিনায়ক মাশরাফির বড় আস্থা রুবেলের ওপর। তাই প্রথম ম্যাচে সুবিধা করতে না পারলেও রুবেলই খেলবে।'

সম্ভাব্য একাদশ : তামিম, লিটন, ইমরুল, মুশফিক, সাকিব, সৌম্য, মাহমুদউল্লাহ, মিরাজ, মাশরাফি (অধিনায়ক), রুবেল ও মোস্তাফিজ।

বিস্তারিত

বিচিত্র খবর

water-guaba-market

সকাল ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত চলে ভীমরুলির হাট। চাষীরা ছোট ছোট ডিঙি নৌকায় করে নৌকাভর্তি শত শত মণ পেয়ারা নিয়ে আসেন বিক্রির জন্য। পাইকাররা বড় নৌকা বা ট্রলার নিয়ে পেয়ারা কিনতে আসেন। এই হাটে প্রতিদিন আড়াই হাজার মণেরও বেশি পেয়ারা বিক্রি হয়। আড়াইশ’ থেকে তিনশ’ টাকায় বিক্রি হয় প্রতিমণ।

যারা কেরালার ব্যাকওয়াটার দেখে আফসোস করেন বা থাইল্যান্ডের ফোটিং মার্কেটে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছেন, তারা পেয়ারার মৌসুমে একবার ঘুরে আসতে পারেন ভাসমান পেয়ারার বাজার থেকে। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পেয়ারার ভরা মৌসুম। সবুজ কতটা গাঢ় হতে পারে, মানুষের জীবনধারন কতটা প্রকৃতি বান্ধব ও সাবলিল হতে পারে, তা উপভোগ করতে আপনিও বেড়িয়ে আসুন বরিশালে।

রিভারাইন এ্যগ্রো বেইজড কমিউনিটি ট্যুরিজমের এক অনন্য গন্তব্য হতে পারে এই ভীমরুলি ভাসমান বাজার, যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে পর্যটকদের জন্য সুব্যবস্থা, ভাসমান প্রমোদতরী, ভাসমান আবাস ব্যবস্থা  (ফ্লোটিং হোম), নিয়মিত নৌ ভ্রমণ ব্যবস্থা। এই অঞ্চলে পর্যটক সমাগম ঘটলে স্থানীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে কর্মসংস্থান, টেকশই হবে গ্রামীণ অর্থনীতি, সমৃদ্ধ হবে পর্যটন শিল্প।

কিভাবে যাবেন:

ঢাকা সদর ঘাটে থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় হুলারহাটের উদ্দেশ্যে ৩-৪ টি লঞ্চ ছেড়ে যায়। ভাড়া ডেক-২০০ টাকা,  সিঙ্গেল কেবিন : ৯০০-১০০০ টাকা। লঞ্চে উঠে নেছারাবাদ বা স্বরূপকাঠি নামবেন। এর আগের স্টপেজ বানারীপাড়াতেও নামতে পারেন। এরপর ট্রলার ভাড়া নেবেন ৫-৬ ঘন্টার জন্য। নেছারাবাদ খাল হয়ে আটঘর, কুরিয়ানা ঘুরে ভীমরুলি বাজার। ভিমরুলি বাজারে গিয়ে দেখবেন খালের মধ্য শত শত পেয়ারার নৌকা। ইচ্ছে করলে কিনতে পারবেন পেয়ারা। এরপর আবার খানিকটা ঘুরে কুরিয়ানা বাজারে দুপুরের খাবার খেতে পারেন। কুরিয়ানা থেকে ভ্যানে করে রায়েরহাট আসলে বরিশাল যাবার বাস পাবেন। পথে গুঠিয়া মসজিদ দেখে বরিশাল গিয়ে ঢাকার লঞ্চ ধরতে পারবেন।

আবার ঢাকা থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় লঞ্চ/ষ্টিমারে উঠে সকালে পৌছে যেতে পারেন বরিশালে অথবা ঢাকা থেকে বাসে বরিশাল গিয়ে সেখান থেকে অটোতে জগদীশপুর বাজার যেতে পারেন। এরপর ট্রলার রিজার্ভ করে সারাদিন ঘুরতে পারেন। ভাড়া পড়বে ২০০০-২৫০০ টাকা। তবে আগে থেকে ট্রলার ঠিক করে রাখতে হবে। এছাড়া নতুন সংযোজন হয়েছে দ্রুতগামী আরও একটি ওয়াটার বাস যা সকলে ঢাকা ছেড়ে দুপুরে পৌঁছে বরিশাল আবার দুপুরে বরিশাল ছেড়ে সন্ধ্যায় পৌঁছে ঢাকায়।

মনে রাখবেন

ভাসমান পেয়ারার বাজার বসে শুধুমাত্র বর্ষাকালে আটঘর কুরিয়ানার ভীমরুলি সহ আশেপাশের কয়েকটি খালে।

সবজি ও চালের ভাসমান বাজার বসে বৌকাঠি ও বানারী পাড়ায় বছর ব্যাপী প্রতি সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার। হার্থা,উজিরপুরে প্রতি রবিবার ও বুধবার, আটঘর, বৌকাঠি ও স্বরুপকাঠিতে প্রতি সোম ও মঙ্গলবার।

এছাড়া নৌকা কেনা বেঁচার ভাসমান বাজার বসে বর্ষাকালে প্রতি শুক্রবার।

সতর্কতা

  • বেড়াতে যেয়ে পরিবেশ বিনষ্ট হয় এমন
  • কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকুন।
  • ময়লা, আবর্জনা ও খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল ইত্যাদি মাটিতে ফেলবেন না।
  • ধারন ও ক্ষমতার বাইরে বেশী মানুষ কোন নৌযানে উঠবেন না।
  • নৌ ভ্রমণে লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করুন
  • প্রয়োজনে স্থানীয় গাইডের সহায়তা নিন।
  • স্থানীয় মানুষের ক্ষতি হয় এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকুন।
  • সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় মূল্যবোধ স্থানীয় জনগনকে আঘাত করে এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকুন।
  • যেকোন প্রয়োজনে প্রশাসনের সহায়তা নিন অথবা যোগ্য ভ্রমণ সংস্থার সহায়তা নিন

লেখক-মহিউদ্দিন হেলাল

বিস্তারিত

ছবিঘর

medialinks MAMS image
image



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
উত্তরা নিউজ ২০১৩-২০১৭