জাতীয়

Sheikh_Hasina

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মর্যাদার সাথে দেশের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে সুরক্ষা এবং চর্চার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসুন আমাদের মাতৃভূমিকে এমনভাবে গড়ে তুলি যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এর সুফল ভোগ করতে পারে এবং আমরা এক অনন্য মর্যাদায় চলতে পারি।

তিনি একুশের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ মাথা উঁচু করে চলবে কারণ একুশ আমাদের শিখিয়েছে মাথা নত না করা। একুশ আমাদের শিখিয়েছে কিভাবে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করা যায়। কিভাবে নিজের মাতৃভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সবকিছুকেই রক্ষা করা যায়।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত একুশে পদক ২০১৯ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। খবর: বাসস

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের ভাষার অধিকার আমাদের সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে রক্ষার চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করা আমাদের কর্তব্য। আমরা অনেক সংগ্রামের মধ্যদিয়ে যেটা অর্জন করেছি তার সুফলটা যেন আগামী প্রজন্ম ভোগ করতে পারে, তারা যেন একটা সুন্দর জীবন পায় সেটাই আমরা চাই।’

একুশে পদক বিজয়ীদের উদ্দেশ্যে সরকার প্রধান বলেন, ‘আজকে যারা একুশে পদক পেয়েছেন তারা গুণীজন। তারা স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কীর্তিমান, তাদের বিশাল অবদান রয়েছে। সেই অবদানের কথা সবসময়ই আমরা স্মরণ করি এবং আমি মনে করি, আমাদের আগামী দিনের প্রজন্মও তাদের অনুসরণ করে নিজেদেরকে গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, আমরা বাঙালি জাতি, বাংলাদেশ আমাদের দেশ, বাংলা আমাদের ভাষা- যে কথা জাতির পিতা বারবার বলে গেছেন। সেই দেশকেই আমরা গড়ে তুলতে চাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের দরবারে একটি মর্যাদার আসনে বাংলাদেশ যেন অধিষ্ঠিত হয় এবং বাঙালি জাতি যেন বিশ্বসভায় সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২১ জন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক ২০১৯ এ ভূষিত করেন।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই পদক বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

এ বছরের একুশে পদক বিজয়ীরা হলেন— ভাষা আন্দোলনে অবদানের জন্য মরহুম অধ্যাপক হালিমা খাতুন (মরণোত্তর), যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি গোলাম আরিফ টিপু এবং অধ্যাপক মনোয়ারা ইসলাম। ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য একুশে পদক পেয়েছেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার জন্য। প্রয়াত পপ শিল্পী আজম খান (মরণোত্তর) ও নজরুল সংগীত শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিলের সঙ্গে এবার সংগীত বিভাগে এ পুরস্কার পান গায়ক সুবীর নন্দী। সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে লাকী ইনাম ও লিয়াকত আলী লাকী একুশে পদক পান অভিনয়ের জন্য। দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী সাইদা খানম আলোকচিত্রে অবদানের জন্য এবং চিত্রশিল্পী জামাল উদ্দিন আহমেদ চারুকলায় এ পুরস্কার পান। গবেষণায় ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ ও ড. মাহবুবুল হক এবং শিক্ষায় ড. প্রণব কুমার বড়ুয়াকে এ পদক প্রদান করা হয়।

এছাড়া ভাষা সাহিত্যে রিজিয়া রহমান, ইমদাদুল হক মিলন, অসীম সাহা, আনোয়ারা সৈয়দ হক, মইনুল আহসান সাবের ও হরিশংকর জলদাস একুশে পদক পান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একুশে পদক বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেন এবং মরণোত্তর একুশে পদক বিজয়ী মরহুম অধ্যাপক হালিমা খাতুনের পক্ষে তার কন্যা বেগম প্রজ্ঞা লাবনী এবং পপ সম্রাট আজম খানের পক্ষে তার কন্যা বেগম ইভা খান পুরস্কার গ্রহণ করেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মুস্তফা কামাল অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পাঠ করেন।

পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন দুই লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে সরকার ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতি বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। এ পর্যন্ত ৪৫৭ জন সুধী এবং ৩টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষের যা কিছু অর্জন তা কিন্তু সবসময় আওয়ামী লীগ সরকারই এনে দিয়েছে। যার মধ্যে- ভাষা আন্দোলন ছাড়াও ৬ দফা, ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এবং ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় রয়েছে।

আওয়ামী লীগ ১৯৫৬ সালে সরকার গঠন করেই বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে সময়ই ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস এবং সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয় এবং শহিদ মিনার নির্মাণের জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী কাজ শুরু হলেও ১৯৫৮ সালে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে স্বৈরশাসক আইয়ুব খান মার্শাল ল ঘোষণা করেন এবং শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগের ফলেই ইউনেস্কো মহান একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।

তিনি বলেন, প্রায় কুড়ি বছর আগে প্রয়াত রফিকুল ইসলাম, আবদুস সালামসহ কয়েকজন প্রবাসী বাঙালির উদ্যোগে এবং ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদের আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। আমাদের একুশ এভাবে পরিণত হয় পৃথিবীজোড়া মানুষের মাতৃভাষা দিবসে।

মাতৃভাষাকে রক্ষা, চর্চা এবং মাতৃভাষা নিয়ে গবেষণা করার জন্য তার সরকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেছে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার মেয়াদ ৫ বছর পূর্ণ করার পর ২০০১ সালে স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মত শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেও পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত সরকার আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী নির্যাতনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিটিউট নির্মাণসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সকল উন্নয়ন কাজ বন্ধ করে দেয়।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে পুণরায় সরকারের আসার পরই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিটিউটের এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব পর হয়। যেখানে বর্তমানে বিশ্বের হারিয়ে যাওয়া মাতৃভাষার নমুনা সংগ্রহ এবং মাতৃভাষা নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে।

সরকার প্রধান বলেন, আমাদের মাতৃভাষা যেন সুরক্ষিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিটিউটের মাধ্যমে আমরা সে উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি আমাদের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং পৃথিবীর অন্য ভাষাভাষি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষার ওপরও এখানে নমুনা সংগ্রহ এবং গবেষণা কার্যক্রম চলছে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে জাতির পিতার বাংলায় প্রদত্ত ভাষণের পদাংক অনুসরণ করে প্রতি বছর তার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদানের কথাও উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা তার ভাষণে ১৯৫২’র মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে রফিক, সালাম, বরকতদের রাজপথ রঞ্জিত করার গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস স্মরণ করে এই আন্দোলন গড়ে তোলার পেছনে জাতির পিতার অনন্য ধারবাহিক অবদানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন।

তিনি বলেন, ‘ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গঠিত রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলা ভাষা দাবি দিবস পালনের ঘোষণা দেয়। সেই থেকেই প্রকৃতপক্ষে ভাষার দাবি রাজপথে গড়ায়।’

তিনি বলেন, ছাত্রলীগ ঐদিন ইডেন বিল্ডিং, জেনারেল পোস্ট অফিস এবং অন্যান্য জায়গায় ব্যাপক পিকেটিং করে। পুলিশ ছাত্রদের লাঠিচার্জ করে এবং বঙ্গবন্ধুসহ অনেক ছাত্রকে আটক করে।

বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক

saudi

ভারত সফররত সৌদি যুবরাজের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বললেন, ‘যারা সন্ত্রাসবাদে মদত জোগায়, সেই দেশগুলির ওপর আরও চাপ বাড়াতে রাজি সৌদি আরব। ওই পথ থেকে দেশগুলিকে সরিয়ে নিয়ে আসার জন্য।’কিন্তু একবারও পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করেননি তিনি।

 

ভারত সফরে আসা সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি দিতে গিয়ে বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, এ ব্যাপারে ভারতের সঙ্গে ঐকমত্য হয়েছে সৌদি আরবের। সন্ত্রাসবাদীদের গতিবিধি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া-নেওয়া করবে দুটি দেশ।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার বলছে, যৌথ বিবৃতি দেওয়ার সময় এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে শান্তি ও স্থায়ীত্ব রক্ষায় যা যা করণীয়, সৌদি আরব তা করতে আগ্রহী। দুটি দেশই চাইছে, কড়া হাতে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করে সমুদ্র ও তার লাগোয়া অঞ্চল ও সাইবার দুনিয়ার নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত করা হোক।

মোদি বলেছেন, এভাবেই ভারত ও সৌদি আরব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করে তুলতে চায়।

বিস্তারিত

উত্তরার খবর

tiffin carrear

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কাউন্সিলর নির্বাচনে ৪৫ নং ওয়ার্ডে আলালের টিফিন ক্যারিয়ার মার্কার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসি জানান। জমে উঠেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ৪৫ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনি প্রচার প্রচারনা। ডিএনসিসির ৪৫ নং ওয়ার্ডটি সাবেক উত্তরখান ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের উত্তরখান শাহ কবির মাজার এলাকা, উত্তরখান মধ্যপাড়া, পুরান পাড়া, মাজার পাড়া, কুনিপাড়া, মাষ্টার পাড়া, বালুরমাঠ, গাজীপাড়া, শ্যমলবাগ, হেলাল মার্কেট, শাহেরটেক নিয়ে গঠিত। এ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হলেন উত্তরখান থানা জাতীয় পার্টির (জাপা) সভাপতি মাহমুদুল হাসান আলাল। তিনি টিফিন ক্যারিয়ার প্রতিক নিয়ে নির্বচনে অংশ গ্রহন করেছেন। সাবেক ইউ পি সদস্য মাহমুদুল হাসান আলাল কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে অতীতের মত জনসেবা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে যাবেন বলে এলাকাবাসির ধারনা। ৪৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে আলাল। তরুন প্রজন্মের আপসহীন এক নিভৃত সফল, সৎ, যোগ্য ও পরীক্ষিত সাবেক ইউ পি সদস্য মাহমুদুল হাসান আলাল জানান, তাকে কাউন্সিলর নির্বাচিত করার লক্ষ্যে এলাকার জনগণ দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিস্তারিত

বিনোদন

ananda dhara uttara

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি উত্তরার ৭ নং সেক্টরের লেক ড্রাইভ রোডে জাতীয় বসন্ত বরন অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়। এতে অংশ গ্রহণ করেন উত্তরাস্থ বিভিন্ন স্কুলসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একাডেমী গুলো। সেই সাথে অংশগ্রহণ করেন আনন্দ ধারা একাডেমী। উক্ত একাডেমী থেকে নৃত্যে অংশ গ্রহন করেন নুপুর, ঝর্ণা, শিউলি এবং নাট্য ও কবিতা আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করেন মেহেদী, আহাদ সহ আরও অনেকে। এসময় আনন্দ ধারা একাডেমীর নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির পরিচালনায় ছিলেন উক্ত একাডেমীর পরিচালক আইরিন।

বিস্তারিত

খেলাধুলা

uttara central chees club
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং মহান ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে উত্তরা সেন্ট্রাল চেস ক্লাব আয়োজিত "সেকেন্ড ওপেন এয়ার ইন্টারন্যাশনাল ব্লিট্জ রেটিং চেস টুর্নামেন্ট-২০১৯" এ উত্তরা সেন্ট্রাল চেস ক্লাবের মোঃ আনোয়ার হোসেন দুলাল ৬ খেলায় ৬.৫ পয়েন্ট পেয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। সমান খেলায় সমান ৬ পয়েন্ট করে পেয়ে টাইব্রেকিংএ মোঃ রফিকুল ইসলাম রানারআপ এবং আমিনুল ইসলাম তৃতীয় হন। ৫.৫ পয়েন্ট করে পেয়ে টাইব্রেকিংএ চতুর্থ ও পঞ্চম হন যথাক্রমে আব্দুর রউফ এবং গোলাম সারোয়ার। অনূর্ধ্ব-১৬ ক্যাটাগরিতে সেরা হন রুশিল আধীন রেজা এবং মহিলা বিভাগে সেরা হন স্বর্ণা তরফদার। সেরা আনরেটেড দাবাড়ুর পুরস্কার লাভ করেন রুবেল হোসেন। বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন এবং উত্তরা ফ্রেন্ডস ক্লাবের সার্বিক সহযোগিতায় আজ ২১ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরা ফ্রেন্ডস ক্লাব মাঠে খোলা আকাশের নীচে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় একজন স্পেনিশ দাবাড়ু সহ ৭১ জন দাবাড়ু অংশগ্রহণ করে। খেলা শেষে দুপুর ২:০০ টায় উত্তরা সেন্ট্রাল চেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি ও ছড়াকার রাহাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ড. সেলিমুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্ট্রাকটর আলমাসুর রহমান, উত্তরা সেন্ট্রাল চেস ক্লাবের উপদেষ্টা কবি আনোয়ার মজিদ, বাংলাদেশ চেস প্লেয়ার্স এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বাংলাদেশ পুলিশের এএসপি কবি আসাদুজ্জামান এবং লন্ডনস্থ বৃটিশ-বাংলা চেস এসোসিয়েশনের সহ সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম হীরক। 
 
এর আগে সকাল ১০:০০ টায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উত্তরা ফ্রেন্ডস ক্লাবের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি তৌহিদ আহমেদ সিদ্দিকী আজাদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে টুর্নামেন্টের প্রধান বিচারক মোঃ মুরাদ হোসেন, উত্তরা সেন্ট্রাল চেস ক্লাবের দফতর সম্পাদক এমাদ আহমেদ মোর্তাজা রনি এবং উত্তরা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি মেজবাউর রহমান বিপ্লব উপস্থিত ছিলেন।

বিস্তারিত

বিচিত্র খবর

water-guaba-market

সকাল ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত চলে ভীমরুলির হাট। চাষীরা ছোট ছোট ডিঙি নৌকায় করে নৌকাভর্তি শত শত মণ পেয়ারা নিয়ে আসেন বিক্রির জন্য। পাইকাররা বড় নৌকা বা ট্রলার নিয়ে পেয়ারা কিনতে আসেন। এই হাটে প্রতিদিন আড়াই হাজার মণেরও বেশি পেয়ারা বিক্রি হয়। আড়াইশ’ থেকে তিনশ’ টাকায় বিক্রি হয় প্রতিমণ।

যারা কেরালার ব্যাকওয়াটার দেখে আফসোস করেন বা থাইল্যান্ডের ফোটিং মার্কেটে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছেন, তারা পেয়ারার মৌসুমে একবার ঘুরে আসতে পারেন ভাসমান পেয়ারার বাজার থেকে। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে পেয়ারার ভরা মৌসুম। সবুজ কতটা গাঢ় হতে পারে, মানুষের জীবনধারন কতটা প্রকৃতি বান্ধব ও সাবলিল হতে পারে, তা উপভোগ করতে আপনিও বেড়িয়ে আসুন বরিশালে।

রিভারাইন এ্যগ্রো বেইজড কমিউনিটি ট্যুরিজমের এক অনন্য গন্তব্য হতে পারে এই ভীমরুলি ভাসমান বাজার, যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠতে পারে পর্যটকদের জন্য সুব্যবস্থা, ভাসমান প্রমোদতরী, ভাসমান আবাস ব্যবস্থা  (ফ্লোটিং হোম), নিয়মিত নৌ ভ্রমণ ব্যবস্থা। এই অঞ্চলে পর্যটক সমাগম ঘটলে স্থানীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে কর্মসংস্থান, টেকশই হবে গ্রামীণ অর্থনীতি, সমৃদ্ধ হবে পর্যটন শিল্প।

কিভাবে যাবেন:

ঢাকা সদর ঘাটে থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় হুলারহাটের উদ্দেশ্যে ৩-৪ টি লঞ্চ ছেড়ে যায়। ভাড়া ডেক-২০০ টাকা,  সিঙ্গেল কেবিন : ৯০০-১০০০ টাকা। লঞ্চে উঠে নেছারাবাদ বা স্বরূপকাঠি নামবেন। এর আগের স্টপেজ বানারীপাড়াতেও নামতে পারেন। এরপর ট্রলার ভাড়া নেবেন ৫-৬ ঘন্টার জন্য। নেছারাবাদ খাল হয়ে আটঘর, কুরিয়ানা ঘুরে ভীমরুলি বাজার। ভিমরুলি বাজারে গিয়ে দেখবেন খালের মধ্য শত শত পেয়ারার নৌকা। ইচ্ছে করলে কিনতে পারবেন পেয়ারা। এরপর আবার খানিকটা ঘুরে কুরিয়ানা বাজারে দুপুরের খাবার খেতে পারেন। কুরিয়ানা থেকে ভ্যানে করে রায়েরহাট আসলে বরিশাল যাবার বাস পাবেন। পথে গুঠিয়া মসজিদ দেখে বরিশাল গিয়ে ঢাকার লঞ্চ ধরতে পারবেন।

আবার ঢাকা থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় লঞ্চ/ষ্টিমারে উঠে সকালে পৌছে যেতে পারেন বরিশালে অথবা ঢাকা থেকে বাসে বরিশাল গিয়ে সেখান থেকে অটোতে জগদীশপুর বাজার যেতে পারেন। এরপর ট্রলার রিজার্ভ করে সারাদিন ঘুরতে পারেন। ভাড়া পড়বে ২০০০-২৫০০ টাকা। তবে আগে থেকে ট্রলার ঠিক করে রাখতে হবে। এছাড়া নতুন সংযোজন হয়েছে দ্রুতগামী আরও একটি ওয়াটার বাস যা সকলে ঢাকা ছেড়ে দুপুরে পৌঁছে বরিশাল আবার দুপুরে বরিশাল ছেড়ে সন্ধ্যায় পৌঁছে ঢাকায়।

মনে রাখবেন

ভাসমান পেয়ারার বাজার বসে শুধুমাত্র বর্ষাকালে আটঘর কুরিয়ানার ভীমরুলি সহ আশেপাশের কয়েকটি খালে।

সবজি ও চালের ভাসমান বাজার বসে বৌকাঠি ও বানারী পাড়ায় বছর ব্যাপী প্রতি সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার। হার্থা,উজিরপুরে প্রতি রবিবার ও বুধবার, আটঘর, বৌকাঠি ও স্বরুপকাঠিতে প্রতি সোম ও মঙ্গলবার।

এছাড়া নৌকা কেনা বেঁচার ভাসমান বাজার বসে বর্ষাকালে প্রতি শুক্রবার।

সতর্কতা

  • বেড়াতে যেয়ে পরিবেশ বিনষ্ট হয় এমন
  • কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকুন।
  • ময়লা, আবর্জনা ও খাবারের প্যাকেট, পানির বোতল ইত্যাদি মাটিতে ফেলবেন না।
  • ধারন ও ক্ষমতার বাইরে বেশী মানুষ কোন নৌযানে উঠবেন না।
  • নৌ ভ্রমণে লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করুন
  • প্রয়োজনে স্থানীয় গাইডের সহায়তা নিন।
  • স্থানীয় মানুষের ক্ষতি হয় এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকুন।
  • সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় মূল্যবোধ স্থানীয় জনগনকে আঘাত করে এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকুন।
  • যেকোন প্রয়োজনে প্রশাসনের সহায়তা নিন অথবা যোগ্য ভ্রমণ সংস্থার সহায়তা নিন

লেখক-মহিউদ্দিন হেলাল

বিস্তারিত

ছবিঘর

medialinks MAMS image
image



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
উত্তরা নিউজ ২০১৩-২০১৭