জাতীয়

গাজীপুর

বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক

তাইওয়ানে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প

তাইওয়ানের শহর হুয়ালিয়েনে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার এক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, এ ঘটনায় একটি ভবন উল্টে গেছে। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল দ্বীপটি পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে।

এদিকে ভূমিকম্পের পর সেখানকার বাসিন্দারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা গেছে, রাস্তা ও উঁচু ভবনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, জরুরি বাহিনী আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে।

তাইওয়ান দ্বীপটি দুটো টেকনোটিক প্লেটের মাঝে অবস্থিত। তাই প্রায়ই সেখানে ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে।

বিস্তারিত

উত্তরার খবর

নলভোগের রাস্তাঘাটের ডায়াগ্রাম

রাজধানী তুরাগ থানাধীন হরিরামপুর ইউনিয়নের ৫৩ নং ওয়ার্ডভূক্ত এলাকা নলভোগ। এলাকাটিতে প্রায় পঞ্চাশ হাজারেরও অধিক মানুষের বসবাস রয়েছে। গত কয়েক বছরে মানুষের জীবন যাত্রার মান-উন্নয়নকল্পে বৈশ্বিকভাবে যে পরিবর্তন ঘটেছে সেগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ্যাৎ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির সাথে সাথে মানুষের জীবনযাত্রায় যে পরিবর্তন হয়, সেটিই মানউন্নয়নের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। আর তাই অনেক আগ থেকেই দেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সরকার পাড়া, মহল্লা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্নস্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করলেও রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমের এই এলাকাটির রাস্তাঘাটের অবস্থা পুরোটাই বেহাল। উত্তরা ১২ নং সেক্টরে অবস্থিত খালপাড় হতে উত্তর-পূর্ব কোণের এলাকাটিই হচ্ছে নলভোগ। এলাকাটিতে নি¤œবিত্ত, মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সব ধরনের মানুষেরই বসবাস রয়েছে। এ এলাকাটিতে পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি মানুষের বসবাস হলেও এখানে যাতায়াতের প্রধান সড়কটি সারা বছরই পানি-কাঁদায় ডুবে থাকে। যারফলে এখানকার জনজীবন অসহায় ও মারাত্মক দুর্ভোগপূর্ণ। একটু বৃষ্টি নামলেই হাটু সমান পানির নিচে ডুবে যায় খালপাড় থেকে শুরু হয়ে আসা নয়ানগরগামী এই এলাকার প্রধান সড়ক। এছাড়া নলভোগ তিন রাস্তার মোড় থেকে পশ্চিম দিকে তাঁরারটেক নামক এলাকার দিকে যে রাস্তাটি প্রবেশ করেছে সেটির অবস্থা যে কতটা খারাপ, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

বিগত কয়েক বছর ধরেই রাস্তাটি যান চলাচলের অযোগ্য সত্ত্বেও, বাধ্য হয়েই চলাচল করছে এখানকার মানুষজন। পুরো রাস্তা জুড়েই গর্ত থাকায় রাস্তাটি ধরে যেসব রিক্সা, অটো-রিক্সা সহ ছোট বড় যানবাহনগুলো চলাচল করে সেগুলোকে ঝুঁকির মধ্যেই দৈনন্দিন যাতায়াত সম্পন্ন করতে হয়। এছাড়া পানির নিচে ছোট বড় গর্ত থাকায় রাস্তাটিতে প্রায় উল্টে যায় রিক্সা, অটোরিক্সা সহ অন্যান্য যানবাহনগুলো।

সার্বিক অব্যবস্থাপনায় ভরা খানাখন্দ আর দূর্ভোগে জর্জরিত নলভোগের রাস্তাঘাটের হাল যখন এই, তখনই প্রশ্ন আসে- কি করে চলাচল করে এখানকার মানুষ? এলাকাবাসীর অভিযোগের ভাষা এতটুকুই যে- যেখানে জনপ্রতিনিধিরা শুধুমাত্র নিজেদের আরাম-আয়েশেই সন্তুষ্ট, সেখানে সাধারণ মানুষের উন্নত জীবন ধারনের চেয়ে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে টিকে থাকাটাই বড় কিছু।

বিস্তারিত

বিনোদন

Boliud

আর মাধবন এই নামটি নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। কিন্তু, আর মাধবন সম্পর্কে এমন কিছু আকর্ষণীয় তথ্য আছে যা অনেকেই জানেন না। আর এই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাঁর শিক্ষা-দীক্ষা। আর মাধবন শিক্ষা-দীক্ষায় এই মুহূর্তে বলিউডে সবচেয়ে উপরে রয়েছেন বলেই দাবি করা হচ্ছে। তাঁর মতো শিক্ষিত অভিনেতা নাকি এই মুহূর্তে নাকি বলিউডে নেই। 

১৯৭০ সালে ভারতের জামশেদপুরে এক তামিল পরিবারে জন্ম মাধবনের। কোলাপুরের রাজারাম কলেজ থেকে ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক হন তিনি। এমনকী ক্লাস টেনের পরীক্ষাতেও ডিস্টিংশন পেয়েছিলেন। মাধবনের বাবা রঙ্গনাথন ছিলেন টাটা স্টিলের ম্যানেজমেন্ট এক্সিকিউটিভ। মা সরোজা ছিলেন ব্য়াঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ম্যানেজার। মাধবনের দিদি দেবিকাও পড়াশোনায় যথেষ্ট কৃতী। তিনি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।

১৯৮৮ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময়ই মাধবন স্কলারশিপ- নিয়ে ভারতের সাংস্কৃতিক দূত হিসাবে নিযুক্ত হন। এর জন্য তাঁকে এক বছর কানাডার আলবার্তার স্টেটলার-এ কাটাতে হয়েছিল। কানাডা থেকে ফিরে এসে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাও সম্পূর্ণ করেছিলেন মাধবন। দেশে ফেরার পরে ২২ বছর বয়সে মাধবন মহারাষ্ট্রের এনসিসি ক্যাডারের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন এবং মহারাষ্ট্র এনসিসি ক্যাডার দলের সঙ্গে ইংল্যান্ড সফরেও যান। সেখানে ব্রিটিশ আর্মি, রয়্যাল নেভি এবং রয়্যাল এয়ারফোর্স-এর সঙ্গে প্রশিক্ষণ নেন। একটা সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীতেও যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন মাধবন। কিন্তু, ৬ মাস বয়স বেশি থাকায় সেই সুযোগ তাঁর হাতছাড়া হয়ে যায়।

এরপর মাধবন পাবলিক স্পিকিং এবং পার্সোনালিটি ডেভলপমেন্ট-এর উপর টিচিং কোর্স-এ ভর্তি হয়ে যান। মুম্বইয়ের কৃষিণচাঁদ কলেজ-এ পাবলিক স্পিকিং নিয়ে পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন-এও ভর্তি হন। এই সময়ই পাবলিক স্পিকিং-এর ইন্ডিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ-এ সেরা হন মাধবন। এর সুবাদে ১৯৯২ সালে টোকিও-য় ইয়াং বিজনেস ম্যান কনফারেন্সেও প্রতিনিধিত্ব করেন। মুম্বই-এ থাকাকালীন মাধবন তাঁর একটি পোর্টফোলিও বানান এবং তা একটি মডেলিং এজেন্সি-তে জমা করেন।

এই পোর্টফোলিও বানানোর পর তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় কাজ ছিল সিনেমাটোগ্রাফার তথা অ্যাড-ফিল্ম মেকার সন্তোষ শিবনের তৈরি একটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপন-এ কাজের সুযোগ। স্যান্ডেল ট্যালক-এর বিজ্ঞাপনে কাজ করেই সন্তোষ শিবনের নজরে পড়ে যান মাধবন। পরে মণিরত্নমের একটি ছবির তাঁর নাম সুপারিশ করেন শিবন। ১৯৯৭ সালে 'ইরুভার' বলে মণিরত্নমের ছবিতে স্ক্রিন টেস্টও দেন তিনি। পরে মণিরত্নম তাঁকে 'তামিজশেলভন' নামে একটি ছবির লিড-রোল-এর জন্য নির্বাচিতও করেছিলেন। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে ছবি থেকে মাধবন-কে বাদ দিয়ে দেন মণিরত্নম। তাঁর যুক্তি ছিল ছবির লিড রোল করার ক্ষেত্রে মাধবনের চোখ উপযুক্ত নয়। কারণ, মাধবণের চোখ একদম কিশোর বয়সী ছেলেদের মতো, তাই তাঁকে লিড রোল দেওয়া যাবে না।

মাধবন অবশ্য হতাশ হনিন। তিনি টেলিভিশন থেকে একগুচ্ছ অফার পেতে শুরু করেন। যার মধ্যে ছিল ডিডি মেট্রো-র বেশকিছু ফিল্মি-গান-এর এপিসোডেও অ্যাঙ্কারিং-এর সুযোগ পেয়ে যান। সেই সঙ্গে জি-টিভির একাধিক সিরিয়ালেও অভিনয় করতে শুরু করেন। ‘সি-হক’ বলে দূরদর্শনের একটি সিরিয়ালে মাধবনের অভিনয় বেশ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছিল।

বিস্তারিত

খেলাধুলা

জ্বলে উঠলেন লুইস সুয়ারেস, তাদের সামনে দাঁড়াতে পারল না রা

সামারা অ্যারেনায় সোমবার ৩-০ গোলে জিতেছে উরুগুয়ে। প্রথমার্ধে বুদ্ধিদীপ্ত এক ফ্রি-কিকে দলকে এগিয়ে নেন সুয়ারেস। শেষ সময়ে জালের দেখা পান কাভানি। অন্য গোলটি আত্মঘাতী। 

ড্র করলেই গ্রুপ সেরা হত রাশিয়া। তাদের হারিয়ে শীর্ষস্থান পেয়েছে অস্কার তাবারেসের শিষ্যরা।

‘এ’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে মিশরকে ২-১ গোলে হারিয়েছে সৌদি আরব।

সামারা অ্যারেনায় শুরু থেকেই রাশিয়াকে চেপে ধরে উরুগুয়ে। স্বাগতিক ডিফেন্ডারদের ব্যস্ত রাখেন সুয়ারেস, কাভানি। গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষাও করতে হয়নি তাদের।  

দশম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন সুয়ারেস। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে গড়ানো ফ্রি-কিক শটে জাল খুঁজে নেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড। এবারের আসরে তার দ্বিতীয় গোল, সব মিলিয়ে সপ্তম। উরুগুয়ের হয়ে বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল অস্কার মিগেসের (৮)।

তিন মিনিট পর সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ পায় রাশিয়া। ডি বক্স থেকে সরাসরি গোলরক্ষক ফের্নান্দো মুসলেরা বরাবর শট নিয়ে ভালো সুযোগটি নষ্ট করেন দেনিশ চেরিশেভ।

২৩তম মিনিটে চেরিশেভের আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান বাড়ায় উরুগুয়ে। ২৫ গজ দূর থেকে দিয়েগো লাক্সালতের শট রাশিয়ান মিডফিল্ডারের পায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়ায়।

নিজের জন্মদিনে গোল প্রায় পেয়েও যাচ্ছিলেন রদ্রিগো বেন্তানকুর। ২৯তম মিনিটে তার শট কোনোমতে ফিরিয়ে দেন রাশিয়া গোলরক্ষক ইগর আকিনফিভ।

৯ মিনিটের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখে ৩৬তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন রাশিয়ান ডিফেন্ডার ইগর স্মলনিকভ।

দশ জনের রাশিয়া দলকে দ্বিতীয়ার্ধে চেপে ধরতে পারেনি উরুগুয়ে। প্রথমার্ধের অনুজ্জ্বল স্বাগতিকরা ঘুরে দাঁড়ায় দ্বিতীয়ার্ধে। তবে গোলের খুব একটা সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা।

গোলের জন্য কাভানির অপেক্ষা শেষ হয় ম্যাচের শেষ দিকে। কর্নার থেকে দিয়েগো গদিনের হেড গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলে ছুটে গিয়ে ফিরতি বল জালে পাঠান পিএসজি ফরোয়ার্ড।

১৯৩০, ১৯৫০, ১৯৫৪ ও ২০১০ সালের পর এ নিয়ে পঞ্চমবার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের জাল অক্ষত রাখল উরুগুয়ে।

মিশর-সৌদি আরব

আগেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়া দুই দল মিশর ও সৌদি আরব ভলগোগ্রাদে উপহার দেয় জমজমাট এক ম্যাচ।

২২তম মিনিটে মোহামেদ সালাহর গোলে এগিয়ে যায় মিশর। ৪১তম মিনিটে ফাহাদ আলমুয়াল্লাদের পেনাল্টি শট ফিরিয়ে দেন এসাম আল-হাদারি।

সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড গড়া এই গোলরক্ষক ফেরাতে পারেননি সালমান আলফারাজের দ্বিতীয় পেনাল্টি শট। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের এই গোলে সমতা ফেরায় সৌদি আরব।

দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে সালেম আলদাওসারির গোলে দারুণ এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এশিয়ার দেশটি।

বিস্তারিত

বিচিত্র খবর

shami

সম্পর্ক বজায় রাখতে স্বামী ও স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য কম হওয়া উচিৎ। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য কম হলে সংসারের স্থায়িত্ব বেশি হয়, একে অপরের মন বুঝে চলার ক্ষমতা জন্মায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার এমোরি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রায় তিন হাজার মানুষের উপর এক সমীক্ষা চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের পার্থক্য বাড়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের হারও বেড়ে যায়। স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য ৫ বছর হলে তাদের বিচ্ছেদের আশঙ্কা সমবয়সী দম্পতির তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি। বয়সের পার্থক্য ১০ বছর হলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা ৩৯ শতাংশ এবং ২০ বছর হলে ৯৫ শতাংশ বেড়ে যায়। তবে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের উপরও বিচ্ছেদের ব্যাপার অনেকাংশে নির্ভরশীল। সম্পর্ক যত ঘনিষ্ঠ হবে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা ততই কম।

গবেষণায় আরও বলা হয়, বয়সের বেশি ব্যবধানে বিয়ের পরেও কমপক্ষে ২ বছর একসঙ্গে থাকলে বিচ্ছেদের আশঙ্কা ৪৩ শতাংশ কমে আসে। আবার ১০ বছর একত্রে থাকলে তা ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে আসে।

বিস্তারিত

ছবিঘর

medialinks MAMS image
image



© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
উত্তরা নিউজ ২০১৩-২০১৭